বাংলাদেশে কোয়ারেনটাইনে ২৬ হাজার ২৩ জন

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় রাজধানীর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনও কোয়ারেনটাইনে আছেন ২৬ হাজার ২৩ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমআইএস লাইন ডিরেক্টর হাবীবুর রহমান সোমবার (৩০ মার্চ) এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, মোট ৫৫ হাজার মানুষকে কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে ২৯ হাজারের বেশি মানুষ কোয়ারেনটাইন শেষ করেছেন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৭৯০ জনকে কোয়ারেনটাইনে নেওয়া হয়েছিল। একইসময়ে ৪ হাজার একজনকে কোয়ারেনটাইন থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডিরেক্টর জানান, ৬৪ জেলায় ৩২৩ প্রতিষ্ঠানকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১৮ হাজার ৯২৩ জনকে সেবা দেওয়া যাবে।

তিনি জানান, বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও সমুদ্র বন্দরে যারা আসছেন, তাদের সবার স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত আমরা বন্দরগুলোতে ৬ লাখ ৬৫ হাজার ২৯৩ জনকে স্ক্রিনিং করেছি। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন বন্দর দিয়ে দেশে এসেছেন ২৮৩ জন। তাদের সবাইকেও স্ক্রিনিং করা হয়েছে।

হাবীবুর রহমান বলেন, ‘করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আমরা ১৭টি গাইডলাইন তৈরি করে প্রচার করছি।

করোনাভাইরাস শনাক্তে কিট বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পিসিআর টেস্ট এখন খুব আলোচিত বিষয়। জেনে খুশি হবেন, আমরা ৯২ হাজার টেস্ট কিট সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি। বিভিন্ন কেন্দ্রে এরই মধ্যে ২০ হাজার কিট বিতরণ করেছি। ৭২ হাজার কিট এখনো আমাদের হাতে রয়েছে। আমরা আগেই জানিয়েছি, ৭১০ জন চিকিৎসক ও ৪৩ জন নার্সকে কোভিড-১৯ বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দেশের সব মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে কোভিড-১৯ নমুনা সংগ্রহের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। অনিবার্য কারণবশত তাদের মধ্যে যারা প্রশিক্ষণ নিতে পারেনি, আজ আবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেব।’

ঢাকায় কোভডি-১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য আটটি হাসপাতালকে ডেডিকেটেড করেছি। সারাদেশে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত করেছি।

‘ঢাকায় ছয়টি প্রতিষ্ঠানে পিসিআর টেস্ট করছি। ময়মনসিংহ ও রংপুর মেডিকেল কলেজে সম্ভবত আজই শুরু হবে। রাজশাহীতে দুয়েকদিনের মধ্যে। খুলনা, বরিশাল সিলেটে এক সপ্তাহের মধ্যে শুরু করতে পারব। প্রশিক্ষিত মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা নমুনা সংগ্রহ করে কেন্দ্রগুলোতে পাঠাবেন’ বলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমআইএস লাইন ডিরেক্টর হাবীবুর রহমান।