বিদায় নিল ঢাকা

ঢাকার দেয়া ১৪৫ রানের ছোট্ট লক্ষ্যে মাথা ঠান্ডা রেখে খেললেই জেতার কথা। চট্টগ্রামের কেউ মাথা গরম করলেন না, ১৪ বল এবং সাত উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নিয়েছে দলটি। ফাইনালের পথে চট্টগ্রামকেন জিততে হবে আরো একটি ম্যাচ, সন্ধ্যায় খুলনা-রাজশাহী ম্যাচে যে হারবে তার সাথে খেলবে চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামের পক্ষে আজ সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেছেন ক্রিস গেইল।

এর আগে, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এলিমিনেটর ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামেন ঢাকা প্লাটুন। শেরে-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইনিংসের শুরুটা ভালো মতো করতে পারেননি ঢাকার ব্যাটসম্যানরা। রুবেল হোসেনের দ্বিতীয় ওভারে বোল্ড হয়ে ফিরে যান ওপেনার তামিম ইকবাল। মাত্র ৩ রানেই সাজঘরে ফিরেন তিনি।

তামিমের পর শূন্য রানে বিদায় নেন এনামুল হক বিজয় ও লুইস রিস। বিজয়কে নাসুম আহমেদ ফেরান, রিসকে ফেরান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ওপেনার মুমিনুলকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হন মেহেদী হাসানও। তিনি ফিরেন ৭ রান করে। রায়াদ এমরিটের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আসিলা গুনারত্নের তালুবন্দী হন তিনি। এরপরের বলেই জাকের আলীকে শূন্যরানে বিদায় করেন এমরিট। দলীয় ৫২ রানেই মমিনুল বিদায় নিলে আরও চাপে পরে ঢাকা। ৩১ বলে ৩১ রান করে এমরিটের বলে আউট হোন তিনি। এরপর আবার আট রান যোগ করতেই ফিরে যান আসিফ আলী। দলীয় তখন ৬০ রান। হাতে আছে আর ৩ উইকেট। তারপর দলের হাল ধরেন সাদাব খান এবং থিসারা পেরেরা। তাদের ৪৪ রানের কল্যাণে কিছুটা সুবিধা করে উঠে ঢাকা। দলীয় ১০৪ রানে পেরেরার উইকেটটি নিজের করে নেন রুবেল হোসেন। পেরেরার পর হাতে সেলাই নিয়েই ব্যাট হাতে মাঠে আসেন ঢাকার অধিনায়ক মাশরাফি। উইকেটের অপরপ্রান্তে তখন চলছে ‘সাদাব’ ঝড়। সাদাবের ৪১ বলে ৬৫ রানের উপর ভর করেই ডুবতে থাকা ঢাকা পায় বড় সংগ্রহ। ২০ ওভারে ঢাকার সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪৪ রান। ইনিংসে মাশরাফি দুটি বল খেললেও কোনো রান তুলতে পারেননি।