বিপিএলে খাবার খেয়ে অসুস্থ সাংবাদিকরা | |

বিপিএলে খাবার খেয়ে অসুস্থ সাংবাদিকরা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শুরু হয়েছে গত ১১ ডিসেম্বর। প্রতিদিন থাকে দুইটি ম্যাচ। শুক্রবার বাদে অন্যান্য দিন দুপুর দেড়টায় শুরু হয় দিনের প্রথম ম্যাচ। তার অন্তত ঘণ্টা খানেক আগে প্রেস মিরপুরের প্রেস বক্সে বিপিএলের নিউজ কাভার করতে হাজির হয়ে যান ক্রীড়া সাংবাদিকরা। সেই সাথে বিসিবির কর্মকর্তারাও দ্রুতই চলে আসেন মাঠে।

এবারের বিপিএলে দুপুরের লাঞ্চ ও সন্ধ্যার নাস্তা সরবরাহের দায়িত্ব পায় সেভেনহিল নামক এক রেস্টুরেন্ট। রাজধানীর বাংলামটর থেকে তৈরি হওয়া সেই খাবার প্যাকেটে করে আসে মিরপুর স্টেডিয়ামে। দুপুর ১টা থেকে ২টার মধ্যে পরিবেশন করা হয় দুপুরের খাবার। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে পরিবেশন করা হয় সন্ধ্যার নাস্তা।

কিন্তু এই খাবার খেয়ে এখন পর্যন্ত ১৭ সাংবাদিকসহ অন্তত ২৫ জনের অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। বমি, পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত হয়ে বাথরুমে অজ্ঞান হয়ে পড়েছেন একাধিক সাংবাদিক। অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিসিবির মিডিয়া বিভাগে কর্মরত কয়েকজন কর্মীও। একসঙ্গে এতজনের অসুস্থ হয়ে পড়ার পর খাবার সরবরাহকারী রেস্টুরেন্টের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে বিসিবি।

মাছরাঙা টেলিভিশনের সিনিয়র সাংবাদিক জাহিদ চৌধুরী জানান শুক্রবার দুপুরে এই খাবার খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে যান তিনি

একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ক্রীড়া সাংবাদিক বলেছেন, শুক্রবার দুপুরে এই খাবার খাওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমার গত রাতে ফুড পয়েজনিং শুরু হয়েছে। সারারাত কঠিন সময় কেটেছে, যেমন পাতলা পায়খানা, তেমন বমি। এক পর্যায়ে বাথরুমে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলাম। আজ মাঠে আসার মতো অবস্থা নেই।’

বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার রাবীদ ইমাম প্রেসবক্সে এসে পুরো ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক এবং বিব্রতকরও বটে। আমি নিজেও এই খাবার খাই। খাবার সমস্যা ধরা পড়ার পর দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরে যে খাবার পরিবেশন করা হবে তাতে আরও বাড়তি নজরদারি থাকবে।’

খাবার সরবরাহকারী সেই সেভেনহিল রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার শাহাবুদ্দিন আহমেদ উৎপল বলেছেন, ‘বিসিবির কাছ থেকে খাবার নিয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। আমরা আমাদের খাদ্য তৈরি করা কমিটি নিয়ে বৈঠক করব। কেন কি কারণে এমনটি হচ্ছে জানার চেষ্টা করব।’