বিকেলে শিল্পীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী | |

বিকেলে শিল্পীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশি চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ীরা আজ রোববার হাতে পাবেন তাদের কাঙ্ক্ষিত পুরস্কার। বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৭ ও ২০১৮ সালের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে এই আয়োজন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান ও তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু। স্বাগত বক্তৃব্য রাখবেন তথ্য সচিব আব্দুল মালেক।

এর আগে গতমাসে ২০১৭ ও ২০১৮ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কারের ২৭ ও ২৮টি ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

২০১৭ সালে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ‘ঢাকা অ্যাটাক’, শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘বিশ্ব আঙ্গিনায় অমর একুশে’, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক ‘গহীন বালুচর’ ছবির নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ, যৌথভাবে ‘সত্তা’ সিনেমার জন্য শাকিব খান ও ‘ঢাকা অ্যাটাক’ সিনেমার জন্য আরেফিন শুভ পাচ্ছেন সেরা চলচ্চিত্র অভিনেতার পুরস্কার এবং সেরা অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে ‘হালদা’ সিনেমার জন্য নুসরাত ইমরোজ তিশা।

২০১৭ সালের জাতীয় পুরস্কার যারা পাচ্ছেন তারা হলেন:-

আজীবন সম্মাননা: এটিএম শামসুজ্জামান ও সালমা বেগম সুজাতা, শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র : বিশ্ব আঙ্গিনায় অমর একুশে (বাংলাদেশ টেলিভিশন), শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক : বদরুর আনাম সৌদ (গহীন বালুচর),শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে : শাকিব খান রানা (সত্তা), মাহবুবুর আরিফিন শুভ (ঢাকা অ্যাটাক), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে : নুসরাত ইমরোজ তিশা (হালদা), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে : মোহাম্মাদ শাহাদাৎ হোসেন (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে : সুবর্ণা মুস্তাফা (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খল চরিত্রে : জাহিদ হাসান (হালদা), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী কৌতুক চরিত্রে : ফজলুর রহমান বাবু (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী : নাইমুর রহমান আপন (সিটকিনি), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক : এম ফরিদ আহমেদ হাজরা (তুমি রবে নিরবে), শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক : ইভান শাহরিয়ার সোহাগ (ধ্যাত্তেরিকি), শ্রেষ্ঠ গায়ক : মাহফুজ আনাম জেমস (সত্তা-তোর প্রেমেতে অন্ধ), শ্রেষ্ঠ গায়িকা : মমতাজ (সত্তা-না জানি কোন অপরাধে), শ্রেষ্ঠ গীতিকার : সেজুল হোসেন (সত্তা-না জানি কোন অপরাধে), শ্রেষ্ঠ সুরকার : বাপ্পা মজুমদার (সত্তা-না জানি কোন অপরাধে), শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার : আজাদ বুলবুল (হালদা), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার : তৌকীর আহমেদ (হালদা), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা : বদরুল আনাম সৌদ (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ সম্পাদক : মোহাম্মাদ কালাম (ঢাকা অ্যাটাক), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক : উত্তম কুমার গুহ (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক : কমল চন্দ্র দাশ (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক : রিপন নাথ (ঢাকা অ্যাটাক), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা : রীতা হোসেন (তুমি রবে নিরবে), শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান : জাভেদ মিয়া (ঢাকা অ্যাটাক)।

২০১৮ সালে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ‘পুত্র’, শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ফরিদুর রেজা সাগরের ‘রাজাধিরাজ রাজ্জাক’, শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গল্প সংপে’ (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট), শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক ‘জান্নাত’ সিনেমার জন্য মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, যৌথভাবে ‘পুত্র’ সিনেমার জন্য ফেরদৌস আহমেদ ও ‘জান্নাত’ সিনেমার জন্য সাইমন সাদিক পাচ্ছেন সেরা অভিনেতার পুরস্কার এবং ‘দেবী’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পাচ্ছেন জয়া আহসান।

২০১৮ সালের জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন:-

আজীবন সম্মাননা : আলমগীর ও প্রবীর মিত্র, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র : পুত্র (চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর), শ্রেষ্ঠ স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র : গল্প সংক্ষেপ (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট), শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র : রাজাধিরাজ রাজ্জাক (ফরিদুর রেজা সাগর), শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক : মোস্তাফিজুর রহমান মানিক (জান্নাত), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে : ফেরদৌস আহমেদ (পুত্র), সাদিক মোহাম্মাদ সাইমন (জান্নাত), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে : জয়া আহসান (দেবী), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে : আলীরাজ (জান্নাত), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে : সুচরিতা (মেঘকন্যা), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খল চরিত্রে : সাদেক বাচ্চু (একটি সিনেমার গল্প), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী কৌতুক চরিত্রে : মোশাররফ করিম (কমলা রকেট), আফজাল শরীফ (পবিত্র ভালোবাসা), শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী : ফাহিম মোহতাসিম লাজিম (পুত্র), শিশু শিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার : মাহমুদুর রহমান অনিন্দ্য (মাটির প্রজার দেশে), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক : ইমন সাহা (জান্নাত), শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক : মাসুম বাবুল (একটি সিনেমার গল্প), শ্রেষ্ঠ গায়ক : নাইমুল ইসলাম রাতুল (পুত্র), শ্রেষ্ঠ গায়িকা : সাবিনা ইয়াসমিন (পুত্র) ও আঁখি আলমগীর (একটি সিনেমার গল্প), শ্রেষ্ঠ গীতিকার : কবির বকুল (নায়ক), জুলফিকার রাসেল (পুত্র), শ্রেষ্ঠ সুরকার : রুনা লায়লা (একটি সিনেমার গল্প), শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার : সুদীপ্ত সাঈদ খান (জান্নাত), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার : সাইফুল ইসলাম মান্নু (পুত্র), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা : এম এম হারুণ-অর-রশীদ (পুত্র), শ্রেষ্ঠ সম্পাদক : তারিক হোসেন বিদ্যুৎ (পুত্র), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক : উত্তম কুমার গুহ (একটি সিনেমার গল্প), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক : জেড এইচ মিন্টু (পোস্টমাস্টার ৭১), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক : আজম বাবু (পুত্র), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা : সাদিয়া শবনম শান্তু (পুত্র), শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান : ফরহাদ রেজা মিলন (দেবী)।