স্পিকারের সাথে সার্বিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ | |

স্পিকারের সাথে সার্বিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপির সাথে সার্বিয়ার সোস্যালিস্ট পার্টি অব সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইভিকা ডাডিকের সৌজন্য সাক্ষাৎ বুধবার দুপুরে সার্বিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতকালে তারা দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার নিয়ে আলোচনা করেন।
স্পিকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই যুগোস্লাভিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশের সাথে সার্বিয়ার সম্পর্ক ঐতিহাসিক উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, ১৯৭৩ সালে যুগোস্লাভিয়ায় বঙ্গবন্ধুর সফরই দুই দেশের সম্পর্কের সূচনা ভিত রচনা করে। এসময় তিনি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মার্শাল টিটোর বাংলাদেশ সফরের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের সুনাম রয়েছে। তৈরি পোশাক রপ্তানীতে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে। বিশ্বের ১৮০টির অধিক দেশে বাংলাদেশে তৈরি ঔষধ রপ্তানী হয় উল্লেখ করে তিনি এ খাতগুলোতে সার্বিয়াকে বিনিয়োগের আহবান জানান। এসময় তিনি বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি আমদানি ও ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করারও আহবান জানান।
সার্বিয়ার উপ প্রধানমন্ত্রী ১৪১ তম আইপিইউতে বাংলাদেশ সংসদীয় প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে সার্বিয়া সম্পর্কোন্নয়নে আগ্রহী। যুগোস্লাভিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মার্শাল টিটো ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুসৃত রুপরেখা হতে পারে এর মূল ভিত্তি।
তিনি বলেন, সার্বিয়া বাংলাদেশে ব্যবসা বাণিজ্যে বিনিয়োগে আগ্রহী। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দু’’দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় তিনি বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সদস্য ডেপুটি স্পিকার মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়া , চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু এবং ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার উপস্থিত ছিলেন।