ধামরাইয়ে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ঢাকার উপকন্ঠ ধামরাইয়ে মায়া আক্তার শান্তা (২০) নামের এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ধামরাই থানা পুলিশ ছোট চন্দ্রাইল এলাকার চান মিয়ার বাড়ি থেকে ওই কিশোরীর মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত মায়া আক্তার শান্তার বাবার নাম আব্দুর রহমান এবং স্বামীর নাম মুরাদ হোসেন।তার বাড়ী মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানায়। শান্তা ও মুরাদের পছন্দ করে বিয়ে হয় এবং তারা ধামরাইয়ের ছোট চন্দ্রাইল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলো।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মায়া আক্তার শান্তাকে তার স্বামী  বকা দেওয়ায় অভিমান থেকে সে আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবারের সদস্যদের ধারণা।

পুলিশ আরও জানায়, রবিবার দিবাগত  গভীর রাতে ছোট চন্দ্রাইল এলাকার ভাড়া বাসার শোয়ার ঘরে মায়া আক্তার শান্তা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস নেয়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে কোন সাড়াশব্দ না পাওয়ায় পরে বুঝতে পেরে দরজার ছিটকিনি ভেঙে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ধামরাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানের কর্তব্যরত  চিকিৎসক শান্তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এব্যাপারে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা জানান, ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসার পরে বলা যাবে এটা কি হত্যা না আত্মহত্যা।