অস্থায়ী পতিতালয় হিসেবে ব্যবহার হতো গুলশানের তিন স্পা

গুলশানের স্পাগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উঠতি বয়সের যুবতী ও মহিলাদের একত্রিত করে দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে যৌন শোষণ ও নিপীড়নমূলক কার্য পরিচালনা করে আসছে আসামিরা। তারা রেসিডেন্ট সেলুন অ্যান্ড স্পা, লাইফ স্টাইল স্পা ও ম্যাংগো স্পাকে পতিতালয় হিসেবে ব্যবহার করে।

এছাড়া এতে তারা কিছু সংখ্যক নারী ও পুরুষকে আহ্বান করে স্পাগুলোকে অস্থায়ী পতিতালয় হিসাবে ব্যবহার করে। আসামিরা পতিতাবৃত্তিতে লিপ্ত থাকার সত্যতা প্রকাশ করেছে।

সোমবার গুলশানের তিন স্পা থেকে গ্রেফতার ১৮ জনকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে গুলশান থানা পুলিশ। এ সময় দুই জনের রিমান্ড আবেদন ও ১৬ জনকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। আবেদনে এসব কথা উল্লেখ্য করেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

এদিন অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে রাজধানীর গুলশানের ম্যাংগো স্পা থেকে গ্রেফতার আসাদুজ্জামানের দু’দিন ও লাইফ স্টাইল স্পার রুহে আলমের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সেই সঙ্গে তিনটি স্পা থেকে গ্রেফতার ১৬ জন নারীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গুলশান থানায় করা মানবপাচার আইনে দায়ের করা মামলায় ম্যাংগো স্পার আসাদুজ্জামানের সাতদিন ও লাইফ স্টাইল স্পার রুহে আলমের পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।