রূপচর্চায় কয়লা! | |

রূপচর্চায় কয়লা!

কয়লার নিজের গায়ের ময়লা ধুলে না গেলেও ত্বকের ময়লা কিন্তু ঠিকই দূর করে। তবে রান্না বা গ্রিল করার জন্য যে কয়লা ব্যবহার করা হয়, রূপচর্চায় সেটা ব্যবহার করা হয় না। ত্বকচর্চার জন্য দরকার ‘অ্যাকটিভেইটেড চার্কোল’।

এই বিশেষ ধরনের কয়লার রয়েছে ময়লা টেনে নেওয়ার চৌম্বক শক্তি। বাজারে বর্তমানে ‘অ্যাক্টিভেইটেড চার্কোল’ সমৃদ্ধ মাস্ক কিনতে পাওয়া যায়।

আর কয়লার মাস্ক ব্যবহার করে যে উপকারগুলো পাবেন, তা হল-

ত্বক পরিশোধন করে:
 দীর্ঘদিন আগে চিকিৎসাব্যবস্থায় রক্তে জমে থাকা বিষাক্ত উপাদান পরিশোধনের জন্য কয়লা ব্যবহৃত হত। একইভাবে ত্বকের ভেতরের স্তরে জমে থাকা ময়লা ও বিষাক্ত পদার্থ পরিশোধনে কয়লা সমৃদ্ধ মাস্ক উপকারী। ব্যাক্টেরিয়া, ময়লা, ধূলাবালি ইত্যাদি দূর করতে এই উপাদান ব্যবহার করা যায়।

লোমকূপ সংকুচিত করতে সহায়ক:
 বড় হয়ে যাওয়া লোমকূপ সংকুচিত করতে সহায়তা করে কয়লা দিয়ে তৈরি মাস্ক। মুখের লোমকূপ যাদের বড় তারা কয়লা দিয়ে মাস্ক তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া অ্যাক্টিভেইটেড চার্কোল সমৃদ্ধ প্রাইমারও এই সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।

ব্রণ দূর করতে: ত্বকে ব্রণের সমস্যা আছে যাদের তারা নিয়মিত কয়লা সমৃদ্ধ ফেইস ওয়াস বা স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া কয়লা সমৃদ্ধ মাস্ক ব্যবহার করা গেলে তা ব্রণের জীবাণু পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে ব্রণের সমস্যা কমে আসবে।

পোকা মাকড়ের কামড় উপশম:
 হালকা কাটাছেড়া বা পোকামাকড়ের কামড়ের কারণে ফুলে ওঠা স্থানে কয়লার পেস্ট তৈরি করে লাগিয়ে দিন। পানিতে কয়লার গুঁড়া গুলে লাগালেই উপকার পাওয়া যাবে।

মাথার ত্বকের যত্নে: শ্যাম্পু করার পরও মাথার ত্বকে জমে থাকা ময়লা বা তেল দূর করতে পারে না। ফলে অনেকসময় চুলকানি, ফুসকুড়িসহ নানান সমস্যা হতে পারে। এক্ষেত্রে অ্যাক্টিভেইটেড চার্কোল সমৃদ্ধ শ্যাম্পু ব্যবহার করা গেলে মাথার ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।