ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়ায় | |

ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়ায়

ঈদের ছুটি শেষে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুট হয়ে রাজধানীতে ফিরছেন পেশাজীবী ও কর্মজীবী মানুষ। প্রায় নয়দিন প্রিয়জনের সঙ্গে ছুটি কাটিয়ে ঢাকার উদ্দেশে নদী পাড়ি দিচ্ছেন যাত্রীরা।

শুক্রবার সকাল থেকেই বেলা বাড়ার সাথে সাথে প্রতিটি লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরিতে অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহনের চাপ দেখা গেছে। এদের বেশিরভাগই শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষ। তবে রবিবার সরকারি অফিস খোলা থাকায় রাজধানীতে ফেরার জন্য পেশাজীবীরা অনেকে শনিবার রওনা হবেন।

শুক্রবার সকালে ঘাটে দেখা গেছে, যাত্রীরা দীর্ঘ সময় লাইন দাঁড়িয়ে থেকে টিকিট কেটে লঞ্চ ও স্পিডবোটে উঠছেন। প্রতিবারের মতো এবারও যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে বিআইডব্লিউটিসি ও লঞ্চ মালিক সমিতির দাবি, সঠিক নিয়মেই কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের পদ্মা নদী পার করা হচ্ছে।

এদিকে যাত্রী ও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কথা মাথায় রেখে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্বক্ষণিক কাজ করছে। এছাড়া যাত্রীসেবা নিবিঘœ করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একাধিক টিমও কাজ করছে।

মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ফেরি ঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম জানান, দঞ্চিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ রাজধানী ঢাকার সাথে যাতায়াতের জন্য কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুট ব্যবহার করেন। ঈদে যাত্রী সেবায় ১৮টি ফেরি, ৮৭টি লঞ্চ, দেড় শতাধিক স্পিডবোট রাখা হয়েছে। এছাড়া ৩ শতাধিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।