বাদাম চাষে কৃষকের মুখে রুপালি হাসি | |

বাদাম চাষে কৃষকের মুখে রুপালি হাসি

পঞ্চগড়ের মাটি ভৌগলিক কারনে উঁচু বেলে দোআঁশ মাটি। এ মাটি বাদাম চাষের জন্য উৎকৃষ্ট। জেলার সব কটি উপজেলায় পর্যাপ্ত বাদাম চাষ হয়েছে। বাদাম চাষে ঝুঁকি কম এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাদাম চাষীরা প্রচুর পরিমানে বাদাম বাজারজাত করতে পারবে। শুধু শঙ্কা দাম নিয়ে।

এ ব্যাপারে বাদাম চাষীরা বলেন, এমনিতে এবার ধানের দাম পায়নি। এবার যদি বাদামের সঠিক ও ন্যায্য মূল্য না পাই তবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হব আমরা। একবিঘা বাদাম চাষে সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকসহ প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ পরে। ভালো ফলন হলে বিঘা প্রতি ১০ থেকে ১২ মন বাদাম উৎপাদিত হয়।

বোদা উপজেলার বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়নের বাদাম চাাষী হরি মোহন, জগদীশ, হোসেন আলী বলেন, চলতি বছর ইরি-বোরো ধানের দাম পাইনি। বাদামের ন্যায্য দাম পেলে ধান চাষের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারব।

জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আবু হানিফ বলেন, এ বছর জেলায় ৯৮০০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল ঢাকা ১, বিনা বাদাম, বারী বাদাম ৩ ও ৪ জাতের বাদাম চাষ হয়েছে যা গত বছর ছিলো ৬৫০০ হেক্টর। এ বছর প্রায় ৩৩০০ হেক্টর জমিতে বেশি বাদাম চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগ নানা ধরনের পরামর্শ মাঠ পর্যায়ে থেকে কৃষকদের সহায়তা করে আসছেন।

বাদামের চাষ ভালো হয়েছে এবং কৃষকরা দাম ভালো পেলে বাদাম চাষ আগামীতে বৃদ্ধি পাবে বলে জানালেন কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক ও বাদাম চাষিরা।

প্রযুক্তিগত ধারণা, ঋণ সুবিধাসহ উৎপাদিত পণ্যের সুষ্ঠু বাজারজাত ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে পারলে এ জেলার উৎপাদিত বাদাম অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।