দক্ষ জনপ্রশাসনের মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী | |

দক্ষ জনপ্রশাসনের মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

একটি দক্ষ, প্রযুক্তি নির্ভর ও সময়োপযোগী কার্যকর জনপ্রশাসন গড়ে তোলার মাধ্যমেই টেকসই উন্নয়নের অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২৩ জুলাই জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে সোমবার (২২ জুলাই) প্রদত্ত এক বাণীতে তিনি বলেন, সরকারের নির্বাহী অঙ্গের অংশ হিসেবে পাবলিক সার্ভিসে নিয়োজিত কর্মচারীগণ জনগণের সেবা ও কল্যাণে তথা দেশের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সিভিল প্রশাসনে নতুন নতুন উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তির প্রয়োগ জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সঠিক ও সর্বোত্তম সেবা প্রদানে অবদান রাখবে।

জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মচারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছাসহ চতুর্থবারের ন্যায় ‘জনপ্রশাসন পদক’ প্রদানের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছরের মতো জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস ২০১৯ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। আমি ‘জনপ্রশাসন পদক ২০১৯’ প্রাপ্তদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীতকরণের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। এর ধারাবাহিকতায় রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন দক্ষ, প্রযুক্তি নির্ভর ও কার্যকর সিভিল প্রশাসন।

তিনি বলেন, সিভিল সার্ভিসের সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে ও বিদেশে প্রয়োজন নির্ভর ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বহুগুণে বৃদ্ধি করেছে। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানের সর্বোত্তম প্রয়োগ, বিভিন্ন সেক্টরের উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার জনগণের দোরগোড়ায় সেবা প্রদান নিশ্চিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনপ্রশাসন পদক প্রদানের সঙ্গে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কর্মচারীদের প্রণোদনা দানের বিষয়টিও জড়িত, যা তাদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১২৩ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধিসহ তাদের সম্মানজনকভাবে জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা করা হয়েছে।
‘জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস ২০১৯’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এ পদক প্রবর্তনের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীগণ নতুন নতুন উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত হবে, যা বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিজেদের আরো দক্ষ ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলবে।’