ডেঙ্গু পরীক্ষা: ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালকে জরিমানা

ডেঙ্গুর পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি নেয়ার অভিযোগে রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক স্পেশালাইজড হাসপাতালকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে অভিযান চালায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, সরকার নির্ধারিত ফি’র চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া এবং অস্ত্রোপচার কক্ষে মেয়াদোত্তীর্ণ যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক পাওয়া যাওয়ায় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালকে জরিমানা করা হয়।

এর আগে রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতাল, সেন্ট্রাল হাসপাতাল ও ধানমন্ডি ক্লিনিককে জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর।

ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের সময় বিভিন্ন এক্সেসরিজের খরচ দেখিয়ে বেশি টাকা নেওয়ার অপরাধে তিনটি হাসপাতালকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তা সংরক্ষণ অধিকার অধিদপ্তর অভিযানে গিয়ে হাসপাতালগুলোতে বেশি টাকা নেওয়ার প্রমাণ পায়।

বুধবার শুনানি শেষে তাদের পৃথকভাবে ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। আরেকটি হাসপাতালের শুনানি তারিখ থাকলেও তারা শুনানিতে অংশ নেয়নি। তাই তাদেরকেও একই পরিমাণ জরিমানা করা হবে।

অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘মঙ্গলবার চারটি হাসপাতালে তদারকি অভিযান চালানো হয়। হাসপাতালগুলো ডেঙ্গু পরীক্ষায় সরকার নির্ধারিত পাঁচশ টাকার বেশি রাখছিল। কারণ হিসেবে তারা পরীক্ষার বিভিন্ন এক্সেসরিজ দেখিয়ে পঞ্চাশ থেকে একশ টাকা বেশি নিচ্ছিল। তাদের এই বেশি নেওয়া নিয়ে অফিসাররা যখন অভিযান করে তখন তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয়নি। আবার ছেড়েও দেওয়া হয়নি। আজ তাদের অফিসে ডাকা হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, সবমিলিয়ে পাঁচশ টাকা নিতে হবে। এক্সেসরিজের জন্য আলাদা কোনো টাকা নেয়া যাবে না।’

‘শুনানিতে বোঝা গেল তাদের বোঝার ভুল ছিল। আবার মনোযোগেরও অভাব ছিল। যে কারণে তিনটি হাসপাতালকে পৃথকভাবে ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আরেকটি হাসপাতাল আসবে। তাদেরও একই পরিমাণ জরিমানা করা হবে।’

স্কয়ারের শুনানিতে নিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আবারও সেখানে যাবো। নয় হাজার ৪৭৫ টাকা যে ওষুধের দাম তারা লিখেছিল বিলে, সেটা যেখান থেকে কিনেছিল তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তারা আমাদের দেখিয়েছে সাত হাজার ছয়শ টাকা দিয়ে বিক্রি করেছিল। এই বিষয়টি সিরিয়াসলি দেখছি। শুধু জরিমান করে তাদের অপচিকিৎসা বন্ধ করা সম্ভব হবে না। স্কয়ার না, আমরা চাচ্ছি অন্যান্য হাসপাতালের দৌরাত্ম যাতে বন্ধ হয়।’