স্থগিত ১৭ উপজেলার ভোট ৫ই মে | |

স্থগিত ১৭ উপজেলার ভোট ৫ই মে

স্থগিত হওয়া ১৭টি উপজেলার নির্বাচন আগামী ৫ই মে অনুষ্ঠিত হবে। তবে পরিবেশ না থাকলে স্থগিত হওয়া ৭ উপজেলার নির্বাচন আবারো পেছানোর কথা বলছে নির্বাচন কমিশন। আদালতের নির্দেশে ১০টি এবং এমপিদের প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ৭টি উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

চার ধাপে ৪৬৫ টি উপজেলায় একক প্রার্থী ছিল ৩০টিতে।ফলে ভোট হওয়ার কথা ছিল ৪৩৫ টিতে। কিন্তু ভোটের আগেই স্থগিত হয় ১৭ উপজেলার নির্বাচন।

সীমানা জটিলতা এবং রিটের কারনে আদালত স্থগিত করে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, নীলফামীর জলঢাকা, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী, নীলফামারী সদর, সুনামগঞ্জের ছাতক, কুমিল্লার বরুড়া, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, ফেনীর ছাত্রলনাইয়া এবং রাজশাহীর পবা উপজেলার ভোট।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, এই এলাকাগুলোর নির্বাচন আদালত কর্তৃক নির্দেশের কারণেই বন্ধ ছিল। আগামী ৫ই মে আমরা এই এলাকাগুলোর নির্বাচন নেয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।

সংসদ সদস্যদের প্রভাব খাটানোর অভিযোগে নোয়াখালীর কবিরহাট, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, লালমনিরহাটের আদিতমারী, নেত্রকোণার পূর্বধলা, কুমিল্লার তিতাস এবং সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ভোট স্থগিত করা হয়। তারিখ নির্ধারনের পাশপাশি তদন্ত চলছে। পরিবেশ না থাকলে প্রয়োজনে আবারো পেছানো হবে এসব উপজেলার নির্বাচন।

কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, কমিটির সুপারিশের উপর নির্ভর করবে যেসব এলাকায় নির্বাচন স্থগিত হয়েছে, সেগুলোর কারণ, কারা দায়ী এবং নির্বাচন করার পরিবেশ আছে কি না। সেই সুপারিশ এবং প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করেই আমরা তারিখ নির্ধারণ করবো। যদি পঞ্চম ধাপেও নির্বাচন করতে হয়, তাহলে সেটাই করবো।

সীমানা জটিলতা এবং রিটের কারনে আদালত স্থগিত করে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, নীলফামীর জলঢাকা, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী, নীলফামারী সদর, সুনামগঞ্জের ছাতক, কুমিল্লার বরুড়া, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, ফেনীর ছাত্রলনাইয়া এবং রাজশাহীর পবা উপজেলার ভোট।

এছাড়া, অনিয়মের কারণে বন্ধ হওয়া ভোটকেন্দ্রের ভোটাভুটি হবে ১৭ই মে।