বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বাস্তবতায় তাপমাত্রাকে স্থিতাবস্থায় নিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর | |

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বাস্তবতায় তাপমাত্রাকে স্থিতাবস্থায় নিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বাস্তবতায় তাপমাত্রাকে স্থিতাবস্থায় নিয়ে আসার জন্য সম্মিলিত চেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী ঝড়, বন্যা, খরা, তাপ প্রবাহ, শৈত্য প্রবাহ এবং সমুদ্রের উপরিতলের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো চরম ঘটনাগুলোর সংখ্যা, তীব্রতা ও মাত্রার মধ্যে অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হচ্ছে।’

এ পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞানভিত্তিক আবহাওয়া ও জলবায়ুর তথ্য এবং ভবিষ্যৎ দৃশ্য রূপায়ন, দৈনন্দিন ও ঋতুভিত্তিক পূর্বাভাস, স্বল্পকালীন এবং দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস সময়মত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব আবহাওয়া দিবস উপলক্ষে গতকাল দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব আবহাওয়া দিবস পালিত হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, পৃথিবীর প্রাকৃতিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষা, আবহাওয়া, জলবায়ু এবং একই সাথে সমগ্র পৃথিবীর পানিচক্র ও জলবায়ু ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে সূর্য ও পৃথিবীর মিথস্ক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সূর্য, পৃথিবী ও আবহাওয়া’ খুবই যথাযথ হয়েছে ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সূর্য সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র এবং আমাদের জীবিত রাখার জন্য পৃথিবীকে যথেষ্ট উষ্ণ রাখে। প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন বছর ধরে সূর্য আবহাওয়া, জলবায়ু সৃষ্টি এবং প্রাণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চালিকা শক্তিরূপে কাজ করে আসছে। হাইড্রো মেটিয়রোলজিকেল কেন্দ্রসমূহ সূর্যের শক্তি প্রয়োগ করে তাদের দক্ষতা ও পরিসেবা সরবরাহ করে থাকে।

তিনি আশা করেন, আবহাওয়া অধিদপ্তরের আধুনিকায়ন এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমসমূহ একটি কার্যকর আগাম পূর্বাভাস ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হবে এবং এটি আমাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে জনগণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে সহায়তা করবে।

প্রধানমন্ত্রী ‘বিশ্ব আবহাওয়া দিবস-২০১৯’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।—— বাসস