নতুন লোগোয় আনুষ্ঠানিক যাত্রা পদ্মা ব্যাংকের | |

নতুন লোগোয় আনুষ্ঠানিক যাত্রা পদ্মা ব্যাংকের

নতুন লোগো চালু করলো পদ্মা ব্যাংক। শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এই লোগো উন্মোচন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক উপদেষ্ট মসিউর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লোগো উন্মোচন করেন। রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বেসরকারি ব্যাংকগুলোকেও পদ্মা ব্যাংকের শেয়ার ধারণের আহ্বান জানিয়ে মসিউর রহমান বলেন, সরকারি চারটি ব্যাংক এবং একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই ব্যাংকের সিংহভাগ শেয়ারের মালিক। ব্যক্তি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোও এই ব্যাংকটির মালিকানায় অংশ নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সরকার ব্যাংকগুলোকে বাজেট বরাদ্দ থেকে সহায়তা করছে। এছাড়া দেশের বাইরে অনেক সম্পদ চলে যাচ্ছে। সরকারের বরাদ্দ এবং চোখের আড়ালে চলে যাওয়া সম্পদ যদি এক করা যায় তাহলে বিনিয়োযোগ্য সম্পদ কতো হবে ? আমাদের উন্নয়নের গতি আরও কত বাড়বে?

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে আমরা যেমন গর্ব করতে পারি তেমনি পদ্মা ব্যাংকও একদিন আমাদের গর্বের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, আমরা এই ব্যাংকটিকে দেশের অন্যতম একটি সেরা ব্যাংকে পরিণত করতে কাজ করছি। সকলের সহযোগিতায় আশা করছি খুব দ্রুত আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবো।

অনুষ্ঠানে পদ্মা ব্যাংকের শেয়ারগ্রহীতা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুছ ছালাম আজাদ, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম, রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আতাউর রহমান প্রধান বক্তব্য দেন। এ সময় তারা ব্যাংকের উত্তর উত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং ব্যাংকটির নতুন নাম ও লোগোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

পদ্মা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পারিচালক মো. এহসান খসরু বলেন, অতিতে ফারমার্স ব্যাংক নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ধরনের আস্থাহীনতা দেখা দিয়েছিল তা থেকে বেরিয়ে আসতে গত ২৯ জানুয়ারি ব্যাংকটিকে পদ্মা নামে নামকরণ করা হয়। এর আগের ৫ বছরে ব্যাংকটির কার্যক্রমে মানুষের মধ্যে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। এখন নতুন লোগো এবং নতুন নামে ব্যাংকটিকে দাঁড় করাতে সরকারের পক্ষ থেকে আমরা যথেষ্ট সহযোগিতা পেয়েছি। সরকারি ৪টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই ব্যাংকটির ৬৮ শতাংশ শেয়ার ধারণ করেছে। নাম এবং লোগো বাছাই করতে সহযোগিতা করছে। এর ফলে ব্যাংকটি খুব দ্রুত এগিয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসএম মনিরুজ্জামান, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মো. মোজাম্মেল হক খান, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।