চেয়ার এবং একজন মন্ত্রীর সিনিয়রদের সম্মান দেখিয়ে চেয়ার ছেড়ে দেওয়ার গল্প | |

চেয়ার এবং একজন মন্ত্রীর সিনিয়রদের সম্মান দেখিয়ে চেয়ার ছেড়ে দেওয়ার গল্প

চেয়ার একটি প্রচলিত ইংরেজী শব্দ যার বাংলা শব্দ কেদারা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চেয়ারের ব্যবহার ও চেয়ার শব্দটি ব্যাপক আলোচিত সমালোচিত শব্দ, প্রথমে ছোট বেলা যখন পড়াশোনা করতাম তখন ই চেয়ারে বসে পড়তাম, তখন যদি কেউ সামনে আসত চেয়ার টা ছেড়ে দিয়ে কুশল বিনিময় করতাম যা পারিবারিক শিক্ষা।

একটু বড় হওয়ার দেখলাম ইউপি নির্বাচনের পছন্দের মার্কা চেয়ার, কিছুদিন পরই দেখলাম পছন্দের মার্কা চেয়ারে নির্বাচিত হওয়ার পর এ চেয়ার নাকি ক্ষমতার চেয়ার। এ ক্ষমতার চেয়ারে বসলে নাকি অনেকে ধরাকে সরা করে আবার অনেকেই বিনয়ী হয়।

ঠিক যেমন খুব কাছের অনেককে দেখেছি চেয়ারে বসে সিংহ বনে গেছে আবার সেদিন একটি অনুষ্ঠানে দেখেছি বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপুর্ণ একজন মন্ত্রী যার রয়েছে সোনালী অতিথ, যার যোগ্যতা দক্ষতা সবই রয়েছে। যিনি নিজ যোগ্যতা দিয়ে আজকে সর্বোচ্চ জায়গা অধিষ্ঠিত হয়েছেন।

কিন্তু সেদিন নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়েছে সেই মাননীয় মন্ত্রীর নির্ধারিত চেয়ারে বসার পরও সিনিয়রদের জন্য পর পর তিনবার তিনি চেয়ার পরিবর্তন করলেন।কিন্তু সেই মঞ্চে মাননীয় মন্ত্রী থেকে অনেক কম যোগ্যতা সম্পন্ন অনেক ব্যক্তি ছিল কিন্তু সৌজন্যতা দেখায়নি।

হাজার হাজার শ্রোতা অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে অবলীলা বলতেছিল মহান অাল্লাহ যোগ্য লোককেই সঠিক জায়গা ঠিকই বসান। সকল দর্শক অবিভুত মুগ্ধ, অসংখ্য মানুুষ তার জন্য দোয়া করেছে, কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনেক জুনিয়র কে দেখছি সিনিয়র দের দেখলে চেয়ারে বসে থাকে, কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে দেখি সিনিয়র দাড়িঁয়ে থাকে জুনিয়র বসে থাকে।যা পারিবারিক শিক্ষা।

সত্যিই অামরা মুগ্ধ এবং অনুকরণীয়। তিনি হলেন বাংলাদেশ অাওয়ামীলীগের অাইন সম্পাদক, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী সিনিয়র এডভোকেট শ ম রেজাউল করিম স্যার।

লেখকঃ এডভোকেট মোঃমহিউদ্দিন চৌধুরী শরীফ