লতিফ সিদ্দিকীসহ ২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট | |

লতিফ সিদ্দিকীসহ ২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের ২.৩৮ একর সরকারি জমি বিক্রির মাধ্যমে সাড়ে ৪০ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতির অভিযোগে প্রাক্তন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ দুইজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশন সভায় ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য রাইজিংবিডিকে জানিয়েছেন। আসামিরা হলেন-প্রাক্তন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও তার পূর্বপরিচিত জমির ক্রেতা বেগম জাহানারা রশিদ।

২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে আদমদীঘি (বগুড়া) থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তাও তিনি। শিগগিরই এই মামলার চার্জশিট সংশ্লিষ্ট আদালতে দাখিল করা হবে।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামি আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, মন্ত্রী হিসেবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে অসৎ উদ্দেশ্যে ২০১০ সালের ১১ মে থেকে ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের (বিজেসি) আওতাধীন সরকারি সম্পত্তি বিক্রয়ের নীতিমালা ভঙ্গ করে উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই একক সিদ্ধান্তে ৬৪ লাখ ৬৩ হাজা ৭৯৫ টাকা মূল্যের সরকারি সম্পত্তি আসামি বেগম জাহানারা রশিদের নিকট বেআইনিভাবে মাত্র ২৩ লাখ  ৯৪ হাজার ৭৭৪ টাকায় বিক্রয় করে পারস্পরিক যোগসাজশে ৪০ লাখ ৬৯ হাজার ২১ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করেন।

দুদক আরো জানায়, বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের সুরুজমল আগরওয়ালা নামীয় ২.৩৮ একর সরকারি সম্পত্তি স্থায়ীভাবে বরাদ্দ গ্রহণের জন্য গত ২০১০ সালের ১১ মে বেগম জাহানারা রশিদের পূর্বপরিচিত প্রধান আসামি আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেসির আওতাধীন সরকারি সম্পত্তি বিক্রয়ের নীতিমালা ভঙ্গ করে উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই মন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে বিক্রয় করা হয়।