সিলেটের নতুন কারাগারে বন্দি স্থানান্তর শুক্রবার | |

সিলেটের নতুন কারাগারে বন্দি স্থানান্তর শুক্রবার

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে শহরতলীর বাদাঘাটে নির্মিত নতুন কারাগারে বন্দি স্থানান্তর শুক্রবার সকাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। এ উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট এলাকা ও সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

কারা সূত্র জানায়, কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রিজন ভ্যানে করে পর্যায়ক্রমে কয়েক দফায় দুই হাজারের বেশি বন্দিকে স্থানান্তর করা হবে। এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ২৩০ বছরের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার পরিত্যক্ত হবে।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবু সায়েম জানান, বর্তমানে কারাগারে বন্দির সংখ্যা ২ হাজার ৩০০ জন। এর মধ্যে ৫০০ জন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি এবং ১ হাজার ৮০০ জন হাজতি রয়েছেন। তাদের পর্যায়ক্রমে নতুন কারাগারে নেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে নতুন কারাগারের দাপ্তরিক কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

বন্দি স্থানান্তর উপলক্ষে নতুন কারাগারসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি সার্ভিস) মো. জেদান আল মুসা।

বন্দিদের সরানোর পুরো সময় পুরাতন কারাগার থেকে বাদাঘাটে নতুন কারাগার পর্যন্ত সড়কে নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। তবে স্থানান্তরের সময় সড়কে সাধারণ যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে না বলে জানান তিনি।

১৭৮৯ সালে নগরীর ধোপাদীঘির পাড়ে ২৪ দশমিক ৬৭ একর জায়গায় তৎকালীন ব্রিটিশ রাজের প্রতিনিধি সিলেটের কালেক্টর জন উইলসন নির্মাণ করেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার। এতে নির্মাণ ব্যয় হয়েছিল এক লাখ রুপি।

২৩০ বছর পর সেই কারাগার সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে নগরীর বাইরে শহরতলীর বাদাঘাট এলাকায়। নতুন কারাগারের বন্দির ধারণ ক্ষমতাও প্রায় আড়াই হাজার। রয়েছে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাও।

গত ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের দুই মাস পর বন্দি স্থানান্তর করা হলো। এটি ছিল সদ্য সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের অগ্রাধিকার প্রকল্প।