গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম | |

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম

অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম এবারে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে প্রথমেই গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী পদ পেয়েছেন। মন্ত্রীপাড়ায় সম্পূর্ন নতুন মুখ হিসেবে আগামীকাল শপথ গ্রহন করবেন তিনি।

পিরোজপুর সদর-নাজিরপুর-স্বরুপকাঠীর মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রিয় একজন ব্যাক্তি হিসেবে তিনি সুপরিচিত।৩০ ডিসেম্বর (রবিবার) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (দেলু রাজাকার) এর ছেলে শামীম সাঈদী বিপুর ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম। তিনি ভোট পেয়েছেন ৩,৩৮,৬১০। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ২০ দলীয় জোট জামায়াতের প্রার্থী শামীম সাঈদী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন ৮,৩০৮ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছে।

শ ম রেজাউল করিম টেলিভিশন টক শোতে পরিচিত মুখ। সমসাময়িক যে কোনো ঘটনায় টিভির পর্দায় নিয়মিত দেখা যায় তাকে। বিশেষ করে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের দাবিতে তিনি সব সময় সোচ্চার। যেকোনো ইস্যুতে আওয়ামী লীগের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে যাচ্ছেন। তিনি আইনজীবীদের মধ্যেও বেশ জনপ্রিয়। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য এবং ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আইনসম্পাদক  হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

পেশাজীবনে তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ও জেলহত্যার মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলার আইনজীবী ছিলেন। ১/১১ এর দুর্যোগকালীন সময়ে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইনজীবী হিসেবে আইনি সহায়তা দিয়েছেন। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ, শেখ সেলিমের মতো রাজনীতিবিদদের আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন।

বিগত ১/১১ এর সেনা সমর্থিত তত্তাবধায়ক সরকারের সময়ে কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার সাথে সর্ব প্রথম স্বাক্ষাতকার করে শেখ হাসিনার পক্ষে আইনী লড়াই শুরু করেন শ ম রেজাউর করিম। সে সময়ে আওয়ামী ঘরনার অনেক আইনজীবী শেখ হাসিনার মামলা পরিচালনা না করে বিদেশে অবস্থান করছিলেন। আবার যারা সে সময়ে শেখ হাসিনার মামলা পরিচালনার সাথে যুক্ত ছিলেন, তাদের ভিতরে এক মাত্র শ ম রেজাউল করিম ছাড়া সবাইকেই দলীয় ভাবে মুল্যায়ন করা হয়েছে। তাই উনি আজ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ন মর্যাদা পেয়েছেন বলে পিরোজপুর -১ আসনের আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা কর্মীরা মনে করে।