‘যথাযথ’ উন্নয়ন নিশ্চিতের অঙ্গীকার মাশরাফির

সরকারি উন্নয়ন কাজ যেন যথাযথভাবে হয় সেটা নিশ্চিত করতে কাজ করবেন নড়াইল-২ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী আওয়ামী লীগের মাশরাফি বিন মর্তুজা।

ভোটে অবিস্মরণীয় জয়ের পর গতকাল এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার। রবিবারের ভোটে ওই আসনে নৌকা নিয়ে মাশরাফি পান দুই লাখ ৭১ হাজার ২১০টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী এনপিপি নেতা এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ সাত হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়েছেন। এই আসনটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হলেও এত বিপুল ব্যবধানে কখনো জয় পায়নি দলটি।

মাশরাফি ভোটের প্রচারের সময় কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেননি। তিনি কী করতে চান, সে বিষয়ে পরিকল্পনার কথাও বলেননি। জয় পাওয়ার পর তিনি বলেন, ‘সরকারিভাবে যে উন্নয়ন কাজ হবে, সেগুলো যথাযথ ভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে জনগণ উপকৃত হবেন।’

‘অনেক সময় দেখা যায়, সড়কের উন্নয়ন কাজগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এক বা দুই বছরের মধ্যে সড়কগুলো ভেঙে যায়। এসব কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে জনগণ দীর্ঘদিন এর সুফল পাবেন। এখানে সমন্বয়নের প্রয়োজন আছে। সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে চাই।’

‘আর মানুষ আমাকে স্বতস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। এখন অনেক বেশি দায়িত্ব, মানুষের অনেক বেশি চাওয়া-পাওয়া আছে। সব মিলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।’

মাশরাফি বলেন, ‘নড়াইলের সড়ক, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি উন্নয়নে কাজ করতে চাই। নড়াইল থেকে মাদকের প্রভাব দুর করাসহ সমষ্টিগত উন্নয়নে নড়াইলকে এগিয়ে নিতে চাই। খেলাধূলার মতোই রাজনীতির বিষয়টি গুরুত্ব দিতে চাই।’

ক্রীড়াঙ্গন ঠিক থাকলে তরুণ প্রজন্ম মাদক থেকে দূরে থাকবে বলেও মনে করেন নড়াইল এক্সপ্রেস নামে পরিচিত এই ক্রিকেটার। বলেন, ‘তাই প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে সব ধরনের খেলাধূলার উদ্যোগ নিতে হবে। সর্বোপরি নড়াইলের স্বার্থে সবাই এক সাথে কাজ করবেন, এমনটাই প্রত্যাশা করি। ব্যক্তিগত সমস্যার চেয়ে সমষ্টিগত সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে নড়াইলের উন্নয়নে এগিয়ে যেতে চাই।’
ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বীকে প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার পর মাশরাফিকে বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। আর শহরের পুরাতন বাস টার্মিনাল চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন মাশরাফি।

সংবাদটি