নখের পরিচর্যায় যা করবেন | |

নখের পরিচর্যায় যা করবেন

পরিচ্ছন্ন নখ শুধু হাত-পায়ের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না। একইসঙ্গে এটি ব্যক্তিত্বও তুলে ধরে। নারীদের জন্য হাতের নখের সৌন্দর্য রক্ষা করা একটু কঠিন। নখ সুন্দর রাখতে পানির ব্যবহার যত কম করা যায় ততই ভাল। কিন্তু নারীদের প্রায় সব কাজেই পানির ছোঁয়া আছে। একটু ইচ্ছা এবং সচেতন থাকলেই সম্ভব নখের যত্ন নেওয়া।

সাধারণত আমরা নখের যত্নে মিনিকিওর, পেডিকিওর করে থাকি। কিন্তু সেগুলো তো বেশ ব্যয়বহুল এবং সময় সাপেক্ষ। এত সময় আর অর্থ কই বলেন। তাই বলে কি যত্ন নিবেন না নখের?

চলুন আজ কিছু টিপস জেনে নেই কিভাবে হাত ও পায়ের নক আকর্ষণীয় করে তুলবেন:

নখের হলদে ভাব: লেবুর রস নখের রং উজ্জ্বল করতে সাহয্য করে। একটি পাত্রে লেবুর রস নিয়ে কিছুক্ষনের জন্য নখ ভিজিয়ে রাখুন। এর ভালভাবে হাত ধুয়ে হবে, তাহলেই দেখা যাবে নখের স্বাভাবিক রং ফিরে এসেছে। কিছুদিন পর পর এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে নখের হলদেভাব কমিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব।

নখের ময়লা: হালকা গরম পানিতে শ্যাম্পু ও লবণ মিশিয়ে নখ ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষন পরে একটি নরম ব্রাশ দিয়ে নখ এবং এর চারপাশে ঘষে নিন। এর ফলে মৃত কোষ এবং ময়লা উঠে আসবে।

ভাঙন বন্ধ: এজন্য সঠিকভাবে নখ ফাইল করা উচিৎ। তাছাড়া গোসল বা হাত ভেজানোর পর নখ ফাইল করা উচিৎ নয়। কারন এসময় নখ নরম থাকে তাই সহজেই ভেঙে যেতে পারে। নখ শক্ত করার জন্য রাতে ঘুমানোর আগে নখে পেট্রোলিয়াম অলিভ অয়েল মালিশ করে নিতে পারেন। এছাড়া নখ কখনও অতিরিক্ত বড় করা ঠিক না, এতে নখ ভেঙে যাবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

সঠিক নেলপালিশ ব্যবহার: অনেকেই নেইলপালিশ দিয়ে রং রাঙাতে পছন্দ করি। কিন্তু কিছু দিনের বিরতিতে নেইলপালিশ লাগানো উচিৎ এতে নখ শ্বাস নিতে পারে। সেক্ষেত্রে একবার নেইলপালিশ উঠানোর ৫/৬ দিন পরে আবার নেইলপালিশ লাগানো উচিৎ। আর নেইলপালিশ জেন ভালো মানের এবং ভাল ব্র্যান্ডের হয় , সেদিকে লক্ষ রাখা উচিৎ। সস্তা নেইলপালিশে সিসা নামক এক প্রকার ধাতপ পদার্থ থাকে যা নখের জন্য ক্ষতিকর।

ভেতরের যত্ন নিন: শুধু মাত্র নখের বাহিরের চারপাশের যত্ন নিলেই হবে না। ভেতর থেকে যত্ন নিতে হবে, সেজন্য ভিটামিন বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। অনেক সময়ে পুষ্টির অভাবেও নখ ভেঙে যায়।