৫০ গণমাধ্যমকর্মীপেলেন মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড | |

৫০ গণমাধ্যমকর্মীপেলেন মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড

বিশ্ব শিশু দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে হাজার হাজার শিশুর অংশগ্রহণে ইউনিসেফ বাংলাদেশ বেশকিছু কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে।

মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে ৫০ জন গণমাধ্যমকর্মীকে মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে ইউনিসেফ।

প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সৃজনশীল গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতায় শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি হিসেবে মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড চালু করা হয়।

এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য গত বছর যেখানে মোট অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৭০০ জন, তা এ বছর বেড়ে ৮৫০ জনে পৌঁছেছে। এদের মধ্য থেকে ১৪টি ক্যাটাগরিতে মনোনীত ৮৫ জনের মধ্য থেকে বিজয়ীদের বেছে নেওয়া হয়েছে।

বর্ণিল সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং জনপ্রিয় ব্যান্ড সঙ্গীতের দল ওয়ারফেজের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে গানের সুরে সুরে শিশুরা মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ও ‘বিশ্ব শিশু দিবস’ উদযাপন করেছে।

ইউনিসেফ বাংলাদেশ আরো অনেক কিছুর পাশাপাশি শিশুদের জন্য ব্লু কানসার্ট এবং জাতীয় ক্রিকেট তারকা ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করে।

এই দিবসের অংশ হিসেবে বিদ্যালয়ে, রাস্তায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, বোর্ডরুমে ও খেলার মাঠে নীল রঙ নিয়ে কিছু একটা করে বা নীল রঙের পোশাক পরার মাধ্যমে ‘বিশ্বকে নীল রঙে রাঙাতে’ সাহায্য করার মধ্য দিয়ে সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্দশাগ্রস্ত শিশুদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানায় ইউনিসেফ বাংলাদেশ।

এদিকে ব্লু কনসার্টে অন্যদের মধ্যে ইউনিসেফ বাংলাদেশের শুভেচ্ছা দূত, অভিনেতা, ডিজিটাল প্রভাবক ও সঙ্গীতজ্ঞরা যোগ দেন। তাদের মধ্যে জন কবির, বিট বাক্স, মাহতিম সাকিব এবং চিত্রপট অন্যতম।

বিশ্ব শিশু দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে যুব অ্যাডভোকেট রাবা খানের সাথেও কতিপয় জনসংযোগের কাজ করা হয়।

শুধু এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই সরাসরি ৬ হাজার শিশুর কাছে পৌঁছানো গেছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ লাখ শিশু ও তরুণ জনগোষ্ঠীকে অনলাইনে সম্পৃক্ত করা হয়। গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের মধ্যে একাত্মতা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রথাগত মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অংশগ্রহণকারী ও পুরস্কার বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এডুয়ার্ড বেগবেদার বলেন, ‘আমি আশা করব, শিশুদের সমস্যাগুলো তুলে ধরে এবং শিশুদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের গতিশীল গণমাধ্যমও শিশুদের জন্য এই বৈশ্বিক কর্মকাণ্ডে যোগ দেবে।’

অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে এডুয়ার্ড বেগবেদার, ইউনিসেফ বাংলাদেশের শুভেচ্ছা দূত অভিনেত্রী আরিফা জামান মোসুমী ও জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট, পুরস্কারের অর্থ ও সনদ তুলে দেন।