শিল্পকলায় ইরানি চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন | |

শিল্পকলায় ইরানি চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন

অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও গুণগত মানের দিক থেকে ইরানের চলচ্চিত্র শিল্প চোখধাঁধানো পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। একইসঙ্গে দেশটির শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক উন্নয়নের উন্নতি হয়েছে দেশটির চলচ্চিত্র শিল্পে। ফলে বর্তমানে বিশ্ব চলচ্চিত্র অঙ্গনে ইরানি চলচ্চিত্রের বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে।

শনিবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চার দিনব্যাপী ইরানি চলচ্চিত্র প্রদর্শনী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমনটাই বলছিলেন বক্তারা।

ঢাকার ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে চার দিনের ইরানি চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী।

বাংলাদেশে শিল্পকলা একাডেমির নাট্য ও চলচ্চিত্র বিজ্ঞান বিভাগের পরিচালক মো. বদরুল আনাম ভূঁইয়ার  সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকার ইরান দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এবরাহীম শাফেয়ী রেযভানী নেযাদ ও প্রখ্যাত অভিনেত্রী ও নাট্য পরিচালক লাকি এনাম।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কালচারাল কাউন্সেলর ড. সাইয়্যেদ মাহদী হোসেইনী ফায়েক।

বক্তারা বলেন, নির্মাণ কৌশল, মানবতা, ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা এবং মানুষের প্রকৃতির বিশুদ্ধতার বার্তা সরবরাহের কারণেই ইরানি চলচ্চিত্র আজ বিভিন্ন দেশ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

তারা বলেন, বিশ্বের চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অস্কার থেকে শুরু করে বিশ্বের প্রায় সব আন্তর্জাতিক উৎসব থেকে পুরস্কার লাভের নজির তৈরি করেছে ইরানের চলচ্চিত্র শিল্প। এটি দেশটির চলচ্চিত্র শিল্পি, পরিচালক, প্রযোজক ও কলকুশলিদের সফলতারই দৃষ্টান্ত।

উদ্বোধনী দিনে প্রদর্শন করা হয় ইংরেজি সাব-টাইটেলযুক্ত চলচ্চিত্র ‘সো ফার, সো ক্লোজ’।

শুক্রবার (৯ নভেম্বর) থেকে মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) চার দিনব্যাপী বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগীয় মিলনায়তনে ইরানি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।