ত্বকের যত্নে কেন দুধ ব্যবহার করবেন? | |

ত্বকের যত্নে কেন দুধ ব্যবহার করবেন?

ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনে ভরপুর দুধ হলো অন্যতম উপকারী ও স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক উপাদান।
দুধ পান করতে পছন্দ করেন কিংবা না করেন, উপকারী এই উপাদানটি ব্যবহার করতে পারেন ত্বকের যত্নে। বিশেষ করে আবহাওয়া বদলের এই সময়ে ত্বকের প্রয়োজন হয় বাড়তি পুষ্টি ও যত্নের। দুধ হতে পারে সেক্ষেত্রে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উপাদান।

এতো সকল উপাদানের ভিড়ে কেন দুধ? জেনে নিন কারণগুলো।

প্রতিরোধ করে বলীরেখা
সময়, আবহাওয়া ও বয়সের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই মুখের ত্বকে বলীরেখা দেখা দিবে। কারোর ক্ষেত্রে ত্বকে বলীরেখা দেখা দেয় সঠিক সময়েরও বেশ আগে। যার জন্য ত্বকে যত্নের অভাব, রোদে পোড়া সহ নানান কারণ দায়ী থাকে। ত্বকের বলীরেখা প্রতিরোধে দুধ সবচেয়ে উপকারী উপাদান। দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে সুস্থ থাকতে ও ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকে বলীরেখা দেখা দেয় না।

এক্সফলিয়েটর হিসেবে কাজ করে
মুখের ত্বক নিয়মিত এক্সফলিয়েট না করা হলেই দেখা দেয় ত্বকের নানান ধরণের সমস্যা। মরা চামড়া থেকে ব্রণ, র‍্যাশ, হোয়াইট হেডস, ব্ল্যাক হেডস সহ দেখা দেয় অ্যালার্জির প্রাদুর্ভাব। এক্ষেত্রে দুধে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিডকে ধন্যবাদ জানাতে হয়। কারণ এই অ্যাসিডটি এক্সফলিয়েটর হিসেবে দারুণ কার্যকরি। মুখের মরা চামড়া ও জীবাণু দূর করার ক্ষেত্রে, অন্যান্য কেমিক্যালযুক্ত পণ্যের চাইতেও ভালো কাজ করে দুধ।

ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করে
শুষ্ক ত্বকের সমস্যার ভুক্তভোগী কমবেশি সকলেই। বিশেষ করে আবহাওয়া বদলের এই সময়টাতে হুট করেই ত্বক খুব বেশি শুষ্ক হয়ে ওঠে। শুষ্ক ত্বকের নানান স্থানে জ্বালাপোড়া সহ লালচে ভাব দেখা দেয়। দুধে থাকা প্রোটিন ও ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ও ধরে রাখতে সাহায্য করে।

রোদেপোড়া ভাব দূর করে
রোদের প্রখর আলো ত্বকের উপর ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করে দেয়। যা থেকেই দেখা দেয় রোদেপোড়া ভাব, বলীরেখা সহ অন্যান্য উপসর্গ। গবেষণা থেকে দেখা গেছে, দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিড কোলাজেন তৈরির মাত্রা বৃদ্ধি করে, ত্বক মোলায়েম করে এবং রোদেপোড়া ভাব কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া দুধে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের প্রদাহ ও ব্যথাভাব দূর করতেও কার্যকরি।