রোববার দেশে ফিরছেন সাকিব

অস্ট্রেলিয়ায় হাসপাতাল ছেড়ে সাকিব আল হাসান উঠেছেন এক বন্ধুর বাসায়। এক সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর একদিন ছিলেন বন্ধুর বাসায়। আজ রওণা দেবেন দেশের উদ্দেশ্যে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামীকাল দুপুর ১২টায় তার ঢাকায় পৌঁছার কথা রয়েছে।

সাকিবের বাঁ-হাতের কনিষ্ঠায় ইনফেকশন কেটে গেছে অনেকটাই। তার অবস্থা এখন ভালোর দিকে। আপাতত বিশ্রামেই থাকবেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ধীরে ধীরে শুরু করবেন পূর্নবাসন প্রক্রিয়া। ব্যথা কমলে শুরু করবেন ব্যাটিং। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে মাঠে ফিরতে তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে।

বাঁ হাতের কনিষ্ঠা থেকে যে পরিমাণ পুঁজ আর দূষিত রক্ত বের করা হয়েছে, তাতে শঙ্কিত ছিল সবাই। শঙ্কায় ছিল আঙুলের সংক্রমণ আবার না হাড়ে ছড়িয়ে পড়ে। তবে মেলাবোর্নের হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইনফেকশন নিয়ন্ত্রণে আছে।

সাকিবের ক্ষত আঙুলে চামড়া উঠতে শুরু করেছে। ক্ষত স্থানটিও শুকিয়ে যাচ্ছে। দ্রুত উন্নতি হওয়ায় সাকিব নিজেও স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, তিন মাসের মধ্যে ব্যাট তোলা যাবে না। তিন মাসের মধ্যে আঙুলে কোনো ব্যথা অনুভব না করেন, তাহলে হয়তো আর অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনও হবে না। তবে যদি ব্যথা অনুভব করেন তাহলে অস্ত্রোপচার বাধ্যতামূলক। অস্ত্রোপচার করালে ছয় মাস মাঠের বাইরেও থাকতে হতে পারে তার।

তিন মাসের মধ্যে মাঠে ফিরে আসতে পারলে বিপিএলের শেষ প্রান্তে খেলতেও পারেন সাকিব। তবে বিপিএল কিংবা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিবকে দ্রুত ফেরানোর পক্ষে নন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। স্পষ্ট করে তিনি জানিয়েছেন, পুরোপুরি ফিট হয়েই সাকিবকে মাঠে নামাবেন তিনি।

এদিকে নিজের ফেসবুকে সাকিব লিখেছেন,‘সমগ্র বাংলাদেশ এবং বিশ্বজুরে আমার এত অগনিত এবং দারুণ সব ভক্তদের পেয়ে আমি সত্যিই অভিভূত, আবেগ আপ্লুত এবং সম্মানিত বোধ করছি। আপনাদের এত এত ভালবাসা এবং প্রার্থনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ইনশাআল্লাহ আমি খুব শীঘ্রই মাঠে ফিরবো এবং সম্মানের সাথে প্রাণপ্রিয় দেশের প্রতিনিধিত্ব করবো। আমার পক্ষ থেকে সবার জন্য ভালবাসা রইলো।’