নানা আয়োজনে এসএমসুলতানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত | |

নানা আয়োজনে এসএমসুলতানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

নানা আয়োজনে বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার (১০ অক্টোবর) সকালে শিল্পীর সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন নবাগত জেলা প্রশাসক আঞ্জুমান আরা।

এদিকে এসএম সুলতান ফাউন্ডেশন, নড়াইল প্রেসক্লাব, এসএম সুলতান বেঙ্গল চারুকলা মহাবিদ্যালয়, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শিল্পীর সমাধিতে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়।

এছাড়া কোরআনখানি, কবর জেয়ারত, দোয়া মাহফিল, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়।

এসব অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম, স্থানীয় সরকার বিভাগ নড়াইলের উপ-পরিচালক মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কাজী মাহবুবুর রশিদ, এসএম সুলতান বেঙ্গল চারুকলা মহাবিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক অশোক কুমার শীল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবাস চন্দ্র বোস, এসএম সুলতান ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মিকু, নড়াইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র রেজাউল বিশ্বাস, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি আলমগীর সিদ্দিকী, শিক্ষাবিদ ইউসুফ আলী, চিত্রশিল্পী বলদেব অধিকারী, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মলয় কুমার কুন্ডু, সাধারণ সম্পাদক শরফুল আলম লিটু, এসএম সুলতান শিশু চারু ও কারুকলা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ, জেলা শিল্পকলা একাডেমির যুগ্ম-সম্পাদক আসাদ রহমান, নারীনেত্রী রাবেয়া ইউসুফ, আঞ্জুমান আরা প্রমুখ।

এসএম সুলতান ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসন এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর অসুস্থ অবস্থায় এসএম সুলতান যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। নড়াইলের কুড়িগ্রামে তাকে শায়িত করা হয়। চিত্রা নদীপাড়ের লাল মিয়া, গণমানুষের এসএম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইলের মাছিমদিয়ায় বাবা মেছের আলী ও মা মাজু বিবির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।

চিত্রশিল্পের খ্যাতি হিসেবে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া ১৯৮২ সালে একুশে পদকসহ ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট স্বীকৃতি এবং ১৯৮৬ সালে ‘বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা’ পেয়েছেন তিনি।