লইট্যা মাছ রান্না | |

লইট্যা মাছ রান্না

চলুন রান্না দেখি। খুব সাধারণ রান্না, আপনারা যারা এই মাছ রান্না করবেন ভাবছেন, তাদের জন্যই একান্তে এই রান্না দেখানো হয়েছে, মশলাপাতি আশা করি আপনার রান্নাঘরেই পাবেন।

উপকরনঃ
– লইট্যা মাছ, ৩৫০/৪০০ গ্রাম হতে পারে  (তিন জনের জন্য এক বেলা মন্দ কি!)
– মাঝারি তিনটে পেঁয়াজ কুঁচি (পেঁয়াজ একটু বেশী হলে স্বাদ বাড়বে)
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ (ঝাল বুঝে)
– এক চা চামচ দেশী রসুন বাটা,
– হাফ চামচ লাল মরিচ গুড়া (ঝাল বুঝে)
– হাফ চামচ হলুদ গুড়া,
– হাফ চা চামচ জিরা গুড়া (জিরা কড়াইতে ভেঁজে বেটে গুড়া করে নেয়া হয়েছে এবং রান্নার শেষে এটা দেয়া হয়েছে)
– তেল (পরিমান মত, কম তেলেই রান্না উত্তম, এই রান্নায় আমাদের আর একটু কম তেল দিলেও চলত, পড়ে গেছে)
– পানি (পরিমান মত)
– লবন (পরিমান মত, প্রথমে কম, পরে যাছাই করে দিতে হবে)

প্রনালীঃ (ছবি কথা বলে)

কড়াইতে তেল গরম করে সামান্য লবন যোগে পেঁয়াজ কুঁচি, কয়েকটা কাঁচা মরিচ এবং রসুন বাটা দিয়ে ভাল করে ভেঁজে নিতে হবে।


পেঁয়াজ কুঁচি সোনালী রঙ হয়ে যাবে।


এবার মরিচ গুড়া এবং হলুদ গুড়া দিয়ে দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন এবং ভাঁজুন। (আমাদের আগের রান্না গুলোতে আগে পানি দেয়া হত এবং পরে হলুদ, মরিচ গুড়া দেয়া হত, এতে করে মরিচের ঝাঁজ বাতাসে যেত না, যাই হোক, ব্যাপার না।)


এবার হাফ কাপ পানি দিন এবং মাধ্যম আঁচে নাড়িয়ে তেল উঠিয়ে নিন। এই সময় কিছুতেই রান্নাঘর ছেড়ে যাবেন না।


এবার কেটে ধুয়ে রাখা মাছ গুলো দিয়ে দিন। (মনে রাখবেন, তেল উঠে ঘ্রান বের হলে রান্না স্বাদের হয়, যদিও একটু সময় নেয়, তাতে কি!)


মাছ দেয়ার পর একবারেই ভাল করে নাড়িয়ে দেবেন।


এমন দেখাবে।


পানি দেয়ার দরকার নেই, এবার আগুন মাধ্যম আঁচে ঢাকনা দিয়ে মিনিট ১০ রাখুন। মাঝে শুধু কড়াইয়ের হাতল ধরে নাড়িয়ে দেবেন। এই মাছ থেকে ভাল পানি বের হয়। (***)


ঠিক এমন অবস্থায় এসে গেলে জিরা গুড়া (আগেই ভেঁজে বেটে গুড়া করে নিতে ভুলবেন না বা বাজারে প্যাকেটে পাওয়া যায়) ছিটিয়ে দিন।


আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে, এবার ফাইন্যাল লবন স্বাদ দেখুন, লাগলে দিন, না লাগলে ওকে বলে আগে বাড়ুন।


চুলা নিবিয়ে কয়েক মিনিট ঢাকনা দিয়ে মাছ সেট হতে দিন! হা হা হা… রান্নার পর চুলা বন্ধ করে কিছু সময় ঢেকে রাখলে যে কোন তরকারী দেখতে ভাল দেখায় এবং তেল উঠে আসে।


পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। গরম ভাতের সাথে চ্রম মজাদার!