এক বিপ্লবী জননেতা ‘বদরুদ্দোজা মোঃ ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম’ | |

এক বিপ্লবী জননেতা ‘বদরুদ্দোজা মোঃ ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম’

যতটা বিশ্বাস রেখেছো তোমরা অামার উপর তারও বেশি ফেরত দিতে চাই প্রিয় নাসিরনগর

** জননেতা বদরুদ্দোজা মোঃ ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম**

বাংলাদেশের  স্বাধীনতা যুদ্ধের সশস্ত্র সংগ্রামের প্রাক্কালে এক নবজাতকের জন্ম হয়। যার নাম স্বাধীন বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেখেছিলেন সংগ্রাম।

বঙ্গবন্ধুর রাখা নামের সেই সংগ্রামই অাজ অবহেলিত নাসিরনগর কে অাধুনিক নাসিরনগর হিসেবে গড়ে তোলার  স্বপ্ন দেখছে। যিনি দেশরত্ন শেখ হাসিনা দ্বারা পুরস্কৃত হয়ে গত ১৩ই মার্চ ২০১৮ইং  উপনির্বাচনে এমপি হিসেবে জনগনের ভালবাসায় সিক্ত। যার পুরো নাম বদরুদ্দোজা মো.ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।

বাবা মায়ের অনুুপেরণায় এবং মামা বীর মু্ক্তিযুদ্ধা ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ মোশারফের রক্তের উত্তরাধিকার হয়ে কৈশোর থেকেই রাজপথে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগের পতাকাতলে।

সংগ্রামের বাবা নাসিরনগরের বিখ্যাত গুনিয়াউক বড় বাড়ির অাবিদুল হোসেন দুধমিয়ার ছয় পুত্র সন্তানের চতুর্থ এম ফখরুল হোসেন বীরমু্ক্তিযুদ্ধা সাবেক পাকিস্তান রেডক্রস সোসাইটির সেক্রেটারি ও স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় রেডক্রসের সেক্রেটারি এবং ঢাকাস্থ নাসিরনগর উপজেলার সমতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

জননেতা  সংগ্রামের মা  মরহুমা ফেরদৌস আরা রুনু ছিলেন ঢাকা শহরের একজন গেরিলা মুক্তিযুদ্ধা ।

মুক্তিযুদ্ধকালে ঢাকা শহর ছিল  2 নং সেক্টরের অধীনে এবং ২নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন  মামা বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার  খালেদ মোশারফ।জননেতা সংগ্রামের মা ফেরদৌস আরা বেগম রুনু স্বনামধন্য মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আনসার ভিডিপির সদস্য এবং প্রথম মহিলা অফিসার।

তিনি  অকুতোভয় সাহসী ও পরোপকারী ছিলেন। তিনি এককভাবে  ঢাকা ফিল্ম অনুমোদনকারী বোর্ডকে উড়িয়ে দিয়েছিল জীবন্ত বোমা নিক্ষেপ করে। মৃত্যুর পুর্ব পযর্ন্ত তিনি মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করে গেছেন। যার হাতে স্বাধীনতার দেদীপ্যমান মশাল প্রজ্বলিত হয় ।জননেতা সংগ্রামের বাবা মা দুজনেই জান্নাতবাসী।

জননেতা সংগ্রাম  শিক্ষায় অালোকিত একজন নিবেদিত মানুুষ যিনি ১৯৮৮সালে এস এস সি ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ থেকে ১৯৯০ সালে এইচ এস সি ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৯৪সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ১৯৯৮সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ২০১৪সালে এল এল বি ২০১৬সালে এল এল এম ডিগ্রিপ্রাপ্ত হন।

রাজনীতি  যার রন্দ্রে রন্দ্রে তিনি কি অার বসে থাকতে পারে বঙ্গবন্ধুর চেতনা উজ্জীবিত হয়ে দেশের উপর সত্তর ও অাশির দশকে জগদ্দল পাথরের মত চেপে ধরা সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে স্কুল জীবন থেকেই ছিলেন মিছিলের অগ্রভাগে।

স্কুলে পড়াকালীন সময়ে ১৯৮৬ সালে তৎকালীন ৩৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হন। এবং ঢাকা কলেজে পড়াকালীন সময়ে ১৯৮৮সালে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। এবং ১৯৯২ সালে ছাত্রসংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারপর ১৯৯৩সালে মতিঝিল থানা ছাত্রলীগের অাহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৩সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।১৯৯৪সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।১৯৯৮-২০০২সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় নির্বাহী কমিটির গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক নির্বাচিত হন।২০০২-২০০৬পযর্ন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।

২০১২ সালেও বাংলাদেশ অাওয়ামীলীগের সহ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ অাওয়ামীলীগের মুক্তিযুদ্ধ উপকমিটির সহ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

জননেতা ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম দু’নয়ন ভরে নাসিরনগরকে দেখলেন। অঙ্গিকার বদ্ধ হয়ে বলেন  অাসুক জরা, অাসুক মৃত্যু অামি অাল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করিনা। কোন ষড়যন্ত্র, মিথ্যাচার, অামাকে এক মিনিটের জন্য নড়াতে পারবে না  সততা ও উন্নয়ন থেকে।

অামি সকল হিংসা বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে সকলকে এক কাতারে দাঁড়ানোর অাহ্বান করছি বারবার।অামি নাসিরনগরে অালো বাতাস গায়ে মেখেছি, অামি সংগ্রাম জনতার হৃদয়ের ভালবাসা অর্জন করে তাদের মনে সত্যিকারের ভাল মানুুষ হিসেবে রেখাপাত করতে চাই।

তারই ধারাবাহিকতা জননেতা সংগ্রাম এমপি হিসেবে প্রথমেই সিদ্বান্ত নিলেন তৃণমূল অাওয়ামীলীগকে ঢেলে সাজাতে হবে। তারপর তিনি ১৩টি ইউনিয়ন ১৩টি সভা করে ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা কর্মিদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের ভাল মন্দ বক্তব্য শুনেন। এতে করে তৃণমূল নেতৃবৃন্দ অনেক উৎসাহিত হয়। অনেকে এরকম ও বলেন সারাজীবন রাজনীতি করে অাজকে স্বীকৃত পেলাম এমপি সাহেব ফোন করে ডেকে কথা বলে।

চাতলপাড় ইউনিয়নে চকবাজারে যখন নদী নদী ভাংগন হয় তড়িৎ গতিতে ছুটে গিয়ে কার্য্যকরী ভুমিকা নেন এমনকি মহান জাতীয় সংসদেও নদী ভাংগনের কথা বলেন।

ছুঁটে চলার অভিপ্রায়ে নাসিরনগরের ইতিহাসে প্রথম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ধরমন্ডল ইউনিয়নের সাইয়াউক গ্রামে ২কিলোমিটার জায়গা  পানিতে ভিজে পায়ে হেটে গিয়ে শেখ হাসিনার উদ্যেগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ উদ্বোধন করেন।

যা সারা বাংলাদেশে ফেইসবুক ও সোস্যাল মিডিয়ার কল্যাণে ভাইরাল হয়। সারা নাসিরনগর বাসী এমপি সংগ্রামের গুনকীর্তনে মগ্ন হয়।

জননেতা সংগ্রাম স্বাধীনতার ৪৮বছরের মধ্যেই প্রথম নাসিরনগরে ১৩টি ইউনিয়নে ১৫ই অাগষ্ট জাতীয় শোক দিবস অানুষ্ঠানিক ভাবে পালন করেন। যাতে মুজিব অার্দশের সৈনিকরা এমপি সংগ্রামের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

এভাবে প্রতিনিয়ত জননেতা সংগ্রাম নাসিরনগরে বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজে অংশগ্রহণ করছে।বিশেষ করে অল্প সময়ে নাসিরনগর উপজেলার গোর্কণ,পূর্বভাগ,গুনিয়াউক ও হরিপুর ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা নাসিরনগর-মাধবপুর সড়ক। প্রতিদিন দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষ  নাসিরনগর-মাধবপুর এই ভাঙ্গাচোরা সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করেন।

রাস্তাটির অবস্থা এতটাই নাজুক দেখলে মনেই হতো না যে এটি একটি পাকা রাস্তা। পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত হয়ে পরিপূর্ণ একটি কাঁচা রাস্তায় রূপ লাভ করে।এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী জানায়,মাননীয় সংসদ সদস্য বিএম ফরহাদ হোসেন সংগ্রামের  ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ৪টি প্যাকেজে ১৮.১ কিলোমিটার এ সড়কটি মেরামতের জন্য ৭ কোটি টাকার সংস্কার কাজ  শুরু হচ্ছে। যা জনমনে স্বস্তি নিশ্বাস ফেলে।

স্বল্প সময়ে নাসিরনগরের অারও একটি গুরুত্বপুর্ণ রাস্তা কুন্ডা থেকে ভলাকুট অনুমোদন সম্পন্ন করেন। যা নাসিরনগর বাসীর বিরাট অাশীর্বাদ। একজন সাধারণ মানুুষ বলে হে অাল্লাহ মাননীয় ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম কে অাগামী নির্বাচনে কবুল করেন। এভাবে জননেতা সংগ্রামের জনকল্যাণে পথচলা জননেতা সংগ্রাম উপনির্বাচনের অাগে জনগনের নিকট প্রতিবদ্ধ হন অামি সংগ্রাম যদি এমপি নির্বাচিত হতে পারি তাহলে অামি অাপনাদের কাছে যাবো, অাপনারা অামার কাছে অাসতে হবে না। তারই ধারাবাহিতা জননেতা সংগ্রাম নাসিরনগরের প্রতি গ্রামে কোন পুর্ব প্রস্তুতি ছাড়া প্রায় ৭০শতাংশ গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন।

মা বোনদের সাথে কথা বলেন। সাধারন মানুষের টিনের ঘরে ঢোকে  নেতা যে মহত্বের পরিচয় বহন করছেন সত্যিই তাতে তিনি  জনগনের মনে বসে পড়েছেন।

গ্রামে গ্রামে মানুষের সাথে দেখা করতে গিয়ে কখনও বৃষ্টিতে ভিজেছেন অাবার কখনও রোদে পুড়েছেন, কখনও হাটতে হাটতে ক্লান্ত হয়েছেন তবু থেমে থাকেন নি। বিশেষ করে ফান্দাউকের অাতিকুড়া এতবড় গ্রামে পায়ে হেঁটে মানুষের কাছে গিয়ে যে কষ্ট করেছেন।তা নাসিরনগরের মানুুষ জীবনে ভুলবে না।

সত্যিই অন্তরের কতটা ভালবাসা থাকলে একজন সাংসদ নিজেকে এভাবে বিলিয়ে দিতে পারে। জননেতা সংগ্রাম নাসিরনগর নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছেন তাই সত্যিই বাস্তবায়ন হলে নাসিরনগরে চিত্র পাল্টে যাবে, দক্ষ  জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষে কারিগরি মহাবিদ্যালয়, পানি শোধানাগার, শিশু পার্ক, প্রত্যকটা ইউনিয়নে অালাদা অালাদা পরিক্ল্পনা গ্রহণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন।নারী ক্ষমতায়ন এবং উন্নয়নে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করণ। নাসিরনগর হাসপাতাল কে ১০০শয্যা উন্নতিকরণ, চক্ষু হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল,ব্যাংক স্থাপন, সহ নানামুখী কর্মসুচি গ্রহণ।

তিনি সব সময় বিশ্বাস করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ-মজিবুর রহমানের চেতনা বাস্তবায়ন করতে হলে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ-হাসিনাকে জয় করতে হবে। তাহলেই সাধারন মানুষের সপ্ন বাস্তবায়ন হবে।

কারণ দেশরত্ন শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে দেশ অাজ উন্নয়নের মহাসড়কে।

দিয়েছিলাম কথা, রেখেছি তাই পথচলার অাগামীতে সমর্থন চাই।

কলামিষ্টঃ এডভোকেট মোঃমহিউদ্দিন চৌধুরী শরীফ