জমে উঠেছে পশুর হাট | |

জমে উঠেছে পশুর হাট

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মাগুরা জেলার চারটি উপজেলার ১৫টি পশুর হাট বেশ জমে উঠেছে। পশু ক্রয়-বিক্রির জন্য প্রতিদিনই কোনো না কোনো হাট বসছে। হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ করা যাচ্ছে।

তবে অভিযোগ আছে, অন্য ঈদের তুলনায় এবার পশুর কিছুটা চাহিদা বেশি। আর এই সুযোগে ইজারাদাররা হাসীলের নামে লুটে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

জেলার আলোকদিয়া, কানুটিয়া, কাটাখালী, আলমখালী, ইটখোলা, আড়পাড়া, সীমাখালী, লাঙ্গলবাঁধ, আমতৈল, দারিয়াপুর, সারঙ্গদীয়া, খামারপাড়া, কানুটিয়া, বেথুলিয়াসহ বিভিন্ন হাটে এবার দেশী গরুর চাহিদা বেশী রয়েছে। তাই হাটগুলোতে গরু-ছাগলের ব্যাপক সমাগম ঘটছে।

তবে কিছু জায়গায় গরু-ছাগলের দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম লক্ষ করা যাচ্ছে। এতে সন্তষ্ট নয় খামার ও গরু ব্যবসায়ীরা। যথেষ্ট উচ্চ মূল্য না পাওয়াতে লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের। এবার ঈদের হাটে মাগুরায় ভারতীয় গরু তেমন একটা লক্ষ করা যাচ্ছেনা।

হাট ইজারাদার ও বিক্রেতারা জানান, এবার বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশি গরু আসছে। তবে ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে ঠিকমত গরু না আসায় বেশি দামে দেশী গরু কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। চাহিদা থাকায় বিক্রি করতে তেমন সমস্যা হচ্ছে না বিক্রেতাদের। এছাড়া হাটে ছাগলের আমদানীও যথেষ্ট লক্ষ করা গেছে।

এসব পশুর হাটে ৪০ থেকে শুরু করে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাম চাইছেন বিক্রেতারা। তবে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার গরু এবং ১৮ হাজার টাকার ছাগল বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া ৪০ থেকে ৭০ হাজার টাকা মূল্যের গরুর ক্রেতাও বেশি।

এ বছর পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাটে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের বাড়তি নিরাপত্তার জন্য মাগুরা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানান মাগুরার পুলিশ সুপার খান মোহম্মাদ রেজওয়ান।

জাল টাকার প্রতারণা রোধের জন্য হাটে হাটে মেশিন বসানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।