প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে হামিদ | |

প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে হামিদ

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল গতকাল সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মনোনয়নপত্র ছাড়া আর কোন মনোনয়ন জমা পরেনি।

আইন অনুযায়ী প্রার্থীর সংখ্যা একজনের বেশি না হলে তাকেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। ২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। সে সময়ও তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।

সোমবার নির্বাচন কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ (০৫ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার কাছে রাষ্ট্রপতি পদে মো. আবদুল হামিদের পক্ষ থেকে তিনটি মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়। প্রথম মনোনয়পত্রটি দাখিল করেন সংসদ সদস্য ওবায়দুল কাদের, দ্বিতীয়টি দাখিল করেন সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন এবং তৃতীয় মনোনয়নপত্রটি দাখিল করেন সংসদ সদস্য আতিউর রহমান আতিক।

প্রথম মনোনয়নপত্রের এর প্রস্তাবক সংসদ সদস্য ওবায়দুল কাদের এবং সমর্থক সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ, দ্বিতীয় মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন, সমর্থক সংসদ সদস্য আ.স.ম. ফিরোজ এবং তৃতীয় মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক সংসদ সদস্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, আর সমর্থক সংসদ সদস্য আতিউর রহমান আতিক।

নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম-সচিব (জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামন জানান, রাষ্ট্রপতি পদে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়েছে। এছাড়া আর কেউ মনোনয়নপত্র পাওয়া যায়নি। সোমবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ৭ ফেব্রুয়ারি।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি পদে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী হলে ১৮ ফেব্রুয়ারি সংসদের অধিবেশন কক্ষে বিধিমালা অনুযায়ী ভোট হবে। সেখানে সংসদ সদস্যরাই ভোট দিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতি বেছে নেবেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ৫ ফেব্রুয়ারি ও প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি করা হয়।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মো. আবদুল হামিদ। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মেয়াদ অবসানের কারণে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হওয়ার ক্ষেত্রে মেয়াদপূর্তির তারিখের আগের ৯০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হয়। ফলে ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।