For Advertisement
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল!
দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকায় পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল প্রশাসন। তবে শিয়া সম্প্রদায়ের লোকেরা এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল করেছেন। সেই মিছিলে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই শত শত মানুষ যোগ দেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় ‘হায় হোসেন, ‘হায় হোসেন’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরান ঢাকার ইমামবাড়া। সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে চকবাজার, লালবাগ, আজিমপুর, নিউ মার্কেট ও জিগাতলা হয়ে মোহাম্মদপুরের দিকে যায়।
হোসেনি দালানের সুপারিন্টেন্ডেন্ট ফিরোজ হোসেন জানান, করোনার কারণে তারা প্রতিবারের মতো ব্যাপক আয়োজনে তাজিয়া মিছিল বের করেননি। তবে নিয়ম রক্ষার্থে সীমিত আকারে বের করেছেন।
লালবাগ জোনের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. জসিম উদ্দিন জানান, সরকারের বিধিনিষেধ মেনেই আশুরার আয়োজন হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সব আয়োজন হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
গত ১৭ আগস্ট ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনায় বলা হয়, মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় পবিত্র আশুরা উপলক্ষে সবধরনের তাজিয়া মিছিল, শোভাযাত্রা, মিছিল নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে আবশ্যক সব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান।
হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ আশুরা হিসেবে পরিচিত। আরবি ‘আশারা’ শব্দের অর্থ দশ। আর আশুরা মানে দশম। সৃষ্টির শুরু থেকে মহররমের ১০ তারিখে তথা আশুরার দিনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ফলে আশুরার মর্যাদা ও মাহাত্ম্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে।
হিজরি ৬১ সালের এই দিনে ফোরাত নদীর তীরে কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা.–এর দৌহিত্র ইমাম হোসাইন রা. ও তার পরিবারের সদস্যদের শহীদ হওয়ার ঘটনা দিনটির তাৎপর্য আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এ দিন কারবালার ঘটনার স্মরণে অনেকে তাজিয়া ও শোক মিছিল করে থাকেন। প্রতি বছর ঢাকায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে তাজিয়া মিছিল হলেও দুই বছর ধরে করোনা পরিস্থিতির কারণে তা হচ্ছে না।
Latest
For Advertisement
- সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
- সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
- নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
Developed by WebsXplore