For Advertisement
মাহসা আমিনীর মৃত্যু: ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি
হিজাব ‘বেঠিকভাবে’ পরার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পরে হেফাজতে মারা গিয়েছিলেন মাহসা আমিনি তার। মৃত্যুর ৪০ দিন পর ওই কুর্দি নারীর কবরের কাছে জড়ো হয়েছিল হাজার হাজার মানুষ। তারা নিরাপত্তার বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
একটি অধিকার গোষ্ঠী এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, কর্মকর্তারা শহরের ভিড়ের উপর গুলি ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে।
২২ বছর বয়সী আমিনি ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যাওয়ার পর ইরান জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
রাজধানী তেহরানের নৈতিকতা পুলিশ তাকে তিন দিন আগে আটক করেছিল এবং একটি আটক কেন্দ্রে বন্দী হওযার পর কোমায় পড়ে গিয়েছিল।
এমন খবর পাওয়া গেছে যে অফিসাররা তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করে এবং একটি গাড়ির সাথে তার মাথায় আঘাত করে, কিন্তু পুলিশ তার সাথে দুর্ব্যবহারের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছে, তার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে।
বুধবার, মাহসা আমিনির শোকের ৪০তম দিনে নতুন বিক্ষোভের আশঙ্কায় সাক্কেজ এবং কুর্দিস্তান প্রদেশের অন্যান্য অংশে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।
ভিডিওতে দেখা গেছে, হাজার হাজার শোকার্ত ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে, একটি মাঠ দিয়ে এবং একটি নদী পেরিয়ে রাস্তার প্রতিবন্ধকতাগুলোকে অতিক্রম করছে এবং কবরস্থানে পৌঁছেছেন যেখানে মাহসাকে দাফন করা হয়।
জনতাকে ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ এবং ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যু’, ‘ফ্যাসিস্টদের কবরস্থান’ বলে চিৎকার করতে শোনা যায়।
তবে আমিনির পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।
পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বিবিসির জিয়ার গোলকে জানিয়েছে, গোয়েন্দা এজেন্টরা তার বাবার ওপর চাপ দিয়েছিল যে তারা কোনো অনুষ্ঠান করছে না।
নরওয়েতে অবস্থিত কুর্দি মানবাধিকার গোষ্ঠী হেনগাও পরে টুইট করেছে বলেছে, শোকার্তরা সাক্কেজে প্রাদেশিক সরকারের অফিসের দিকে মিছিল করেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী জিন্দান স্কোয়ারে মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে।
রয়টার্স নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে বলেছে, দাঙ্গা পুলিশ কবরস্থানে জড়ো হওয়া শোকাহতদের গুলি করেছে। ডজন ডজন লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
Latest
For Advertisement
- সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
- সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
- নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
Developed by WebsXplore