সুরেশ সরিষার তেলের মালিক কারাগারে | |

সুরেশ সরিষার তেলের মালিক কারাগারে

অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় অন্নপূর্ণা ওয়েল মিলস ব্রান্ডের সুরেশ সরিষার তেলের মালিক সুধীর চন্দ্র সাহাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) মো. সাইফুজ্জামান হিরো ওই আসামির আত্মসমর্পণপূর্বক জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

রাজধানীর নিউমার্কেট থানার ওই মামলায় এ আসামির আগে গত ১০ জুলাই হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিনের প্রার্থনা করলে চার সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে হাইকোর্ট জামিনের মেয়াদের চার সপ্তারে মধ্যে আসামিকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দেন।

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আজ এ আসামি আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু আদালত এ আসামির নাম সৈকত সাহা নামে এক আসামির স্বীকারোক্তিতে আসায় এবং ওই স্বীকারোক্তিতে অপহরণের চেষ্টার বিষয়টি এ আসামির নির্দেশনায় হয়েছে মর্মে উল্লেখ থাকায় আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

গত ১২ জুন রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় দায়ের করা অপহরণের চেষ্টার ওই মামলায় সৈকত পাল নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ওই দিন রাত ৯টা ৪৫ ঘটিকার দিকে আসামি অনিক দাস বাপ্পি তাকে মোবাইলে ফোন করে কথা আছে বলে নিউমার্কেটের ১ নম্বর গেটে যেতে বলেন। সরল বিশ্বাসে তিনি সেখানে গেলে আসামি মো. সোহেল ভূঁইয়া, জুয়েল মৃধা, মো. সোহাগ, আনিক দাস বাপ্পি, বিল্টন ও অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে দেখতে পান। বাদী সেখানে পৌছানোর পর আসামিদের সঙ্গে থাকা একটি সিলভার রংয়ের মাইক্রোবাসে তাকে মারধর করে তোলার চেষ্টা করেন।

ওই সময় রাস্তায় যানজট থাকায় এবং বাদীর চিৎকার শুনে আসামি অনিক দাস বাপ্পি, বিল্টন ও আজ্ঞাতনামারা আসামিরা দৌড়ে পালিয়ে যান। আর অপর আসামিরা ধরা পড়েন। এই অভিযোগে বাদী মামলার করার পর পুলিশের তদন্তে সৈকত সাহা নাকের একজন আসামি গ্রেপ্তার হন। তিনি ওই অপহরণের চেষ্টার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। যেখানে অপহরণের পরিকল্পনাকারী হিসেবে আসামি সুধীর চন্দ্র সাহা ও ঠাকুর দাস সাহার নাম আসে।