ত্বকের ধরন ও বয়সভেদে নানা ফেসিয়াল | |

ত্বকের ধরন ও বয়সভেদে নানা ফেসিয়াল

ফেসিয়াল করার মূল কারণ হলো ত্বক পরিষ্কার রাখা। সব বয়সে ত্বক পরিষ্কার করার কাজটি করা প্রয়োজন। তাই আপনার ত্বকের ধরন ও বয়সভেদে ফেসিয়াল করুন। বয়সভেদে ফেসিয়াল করার নিয়ম জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই। দেখে নিন কোন বয়সে আপনার ত্বকের জন্য কোন ফেসিয়াল দরকার।

১৭-২০ বছর
এ বয়সে ত্বকে তৈলাক্ত ভাব বেশি থাকে। তাই ব্রণ ওঠার প্রবণতা দেখা যায়। এ সময় হারবাল ফেসিয়াল করা সবচেয়ে ভালো। হলুদ, পুদিনা পাতা, শসা, মধু এই উপাদান সমৃদ্ধ ফেসিয়াল করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন হানি, কিউকাম্বার, অরেঞ্জ ফেসিয়াল।

২১-৩০ বছর
ত্বকে তেমন কোনো সমস্যা না থাকলে ত্বকভেদে হারবাল ফেসিয়াল করাই ভালো। এ ছাড়া পাল ফেসিয়াল সব ধরনের ত্বকের জন্য উপকারী। তবে সেনসেটিভ ত্বকে এই ফেসিয়াল করবেন না। বিয়ের কনের জন্য গোল্ড ফেসিয়াল খুব ভালো কাজ দেয়। এটা ত্বকে সোনালি আভা আনতে সাহায্য করে।

৩১-৪০ বছর
এ বয়সে এমন ফেসিয়াল করতে হবে, যেটি ত্বকে হাইড্রেড ও ময়েশ্চারাইজ করে। তাই এ সময় হালকা ম্যাসাজ দিয়ে ফেসিয়াল শুরু করতে হবে। তারপর স্ক্রাবিংয়ের সাহায্যে মরা কোষ দূর করতে হবে। সবশেষে হাইড্রেটিং মাস্ক লাগিয়ে ফেসিয়াল শেষ করতে হবে। তাই এ সময় স্টিম ফেসিয়াল, অ্যান্টিরিঙ্গেল ফেসিয়াল উপকারী। এ সময় ফ্রুট ফেসিয়ালও বেশ কার্যকর। ফ্রুট ফেসিয়াল গভীর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে ত্বক টানটান রাখতে সাহায্য করে। এটি সেনসেটিভ ত্বকের জন্য খুব উপকারী।

৪১-৫০ বছর
এ সময় চেহারায় বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। সাধারণত ৪৫ বছর পর থেকে এ সমস্যা শুরু হয়। অনেক ক্ষেত্রে এ সমস্যা আগেই দেখা দিতে পারে। তাই এ সমস্যা দূর করতে ভেজিটেবল পিলিং ফেসিয়াল করা প্রয়োজন। এতে ত্বকের কালো ভাব দূর হবে ও ত্বক উজ্জ্বল হবে। এ ছাড়া অ্যান্টিরিঙ্কেল, চকলেট ফেসিয়াল এ বয়সের জন্য উপযুক্ত।