১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শুল্ক ফাঁকির তথ্য উদঘাটন | |

১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শুল্ক ফাঁকির তথ্য উদঘাটন

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের পৃথক তিন অভিযানে ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শুল্ক ফাঁকির তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার আইসিডি কাস্টম হাউসে ও চট্টগ্রাম বন্দরে পৃথক চার অভিযানে শুল্ক ফাঁকির বিষয়টি উদঘাটিত হলে ওই অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করে সংস্থাটি।শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সহিদুল ইসলাম বিষয়টি জানিয়েছেন।

শুল্ক গোয়েন্দা জানায়, ঢাকার দক্ষিন কেরানীগঞ্জের আমদানিকারক জামান এন্টার প্রাইজ চায়না থেকে ফুটওয়ার & অন্যান্য ঘোষণায় একটি পণ্য চালান আমদানি করে। পরবর্তীতে আমদানীকারকের মনোনিত সিএন্ডএফ এজেন্ট ইউকে এন্ড ডরিন ট্রেড লিমিটেড কর্তৃক দাখিলকৃত চালানপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ লাখ ৫৯ হাজার ১৮৪ টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা ধরা পরে। উল্লিখিত অতিরিক্ত পরিমাণ শুল্ক করসহ প্রযোজ্য সমুদয় ৩৭ লাখ ৪০ হাজার ৪৭৭ শুল্ক করাদি সরকারী কোষাগারে পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়।

অন্যদিকে অপর অভিযানে চট্টগ্রামের আই আর এস ইন্টারন‌্যাশনাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান আরব আমিরাত থেকে কসমেটিক্স ও অন্যান্য ঘোষণায় একটি পণ্য চালান আমদানিকালে ২২ লাখ টাকার ফাঁকি উদঘাটিত হয়। গত ১৯ এপ্রিল দাখিলকৃত আমদানীকারকের মনোনিত সিএন্ডএফ এজেন্টের খালাসের নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে খালাস স্থগিত করা হয়। শুল্ক গোয়েন্দা টীম কর্তৃক পণ্য চালানটির কায়িক পরীক্ষা শেষে ঘোষণাতিরিক্ত ২১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৪০ টাকার অতিরিক্ত শুল্ক আদায় করা হয়।

এদিকে আজ সন্ধ্যায় শতভাগ মিথ্যা ঘোষনায় পণ্য আমদানি করার দায়ে চট্টগ্রামে শুল্ক গোয়েন্দার একটি দল জরিমানা ছাড়াই প্রায় ৮৭ লাখ টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করে। চট্টগ্রামের এম এম ট্রেডিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্লেইং কার্ড ও থার্মোমিটার আমদানিতে ওই অতিরিক্ত শুল্ক আদায় করা হয়।

এর আগে চট্টগ্রাম বন্দর থেকেই রাথিকা ট্রেডিং নামের অপর প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঘোষণা বর্হিভূত ফ্রেবিক্স খালাসকালে ২৪ লাখ টাকা অতিরিক্ত শুল্ক আদায় করা হয়।শুল্ক গোয়েন্দার পদক্ষেপের ফলে সরকারের বিপুল পরিমান রাজস্ব সুরক্ষিত হয়েছে বলে সংস্থাটি মনে করে।