বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে মহিষ আমদানি শুরু | |

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে মহিষ আমদানি শুরু

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের হরিয়ানা থেকে সর্বপ্রথম আমদানি করা হলো ১০০টি মহিষের একটি চালান।

বুধবার রাতে ৬টি ট্রাকে করে ছোট-বড় ১০০টি মহিষ ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে পৌছায়। কাস্টমস হাউজ থেকে ছাড় করার পরে রাতেই বেনাপোল স্থলবন্দর ত্যাগ করে।

বেনাপোল কাস্টমস ও স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জে অবস্থিত মিল্ক ভিটা কোম্পানি তাদের কোম্পানিতে দুধ উৎপাদনের জন্য ৫০টি বড় মহিষ ও ৫০টি বাছুর (প্রজনন) আমদানির জন্য দরপত্র দেয় ঢাকার একটি আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান জেনেটিক্স ইন্টারন্যাশনাল। প্রতিষ্ঠানটি মহিষগুলো ভারত থেকে আমদানি করেন, যার বিসিপি নং-১০৫৭/৬। মহিষের রফতানি কারক প্রতিষ্ঠান হলো ভারতের জেকে এন্টারপ্রাইজ। বেনাপোলের হট লাইন কার্গো ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি সিএন্ডএফ এজেন্ট আমদানিকৃত মহিষগুলো কাস্টমস হাউজ থেকে ছাড় করার জন্য বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। যার বিল অব এন্ট্রি নং-৩১৯১৮, তারিখ-০৯/০৫/১৮ এবং মহিষের আমদানি মূল্য ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ৮২ হাজার ২’শ ২৫ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশী টাকায় মূল্য দাঁড়ায় ৬৮ লক্ষ ৬৫ হাজার ৭শ’ ৮৭ টাকা। প্রাণী সম্পদ বিভাগের ছাড়পত্র নেওয়ায় এই মহিষের কোন আমদানি শুল্ক  দিতে হবে না।

শার্শা উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জয়দেব কুমার সিংহ জানান, মহিষগুলো সিরাজগঞ্জ মিল্ক ভিটায় নিয়ে যাওয়া হবে। প্রাথমিক ভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে মহিষগুলো মান ভাল পাওয়া যায় এবং প্রাণী সম্পদ বিভাগের সরকারি শুল্ক আদায় করে যথাযথ ভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা হারুন আর রশিদ জানান, মহিষগুলো বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে খালাস নিতে হর্ট লাইন কার্গো ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেছেন। তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শুল্কায়ন করার পর খালাস দেয়া হয়েছে।|