টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি | |

টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেষ্ট থাকার আহবান জানিয়েছেন।
বিশ্ব টেলিযাগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস উপলক্ষে আজ এক বাণীতে তিনি এ আহবান জানান।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও বিশ্ব টেলিযাগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস, ২০১৮ ‘ উদ্যাপিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্ববাসীকে এক কাতারে শামিল করেছে।
তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির ক্রমবিকাশের পথ ধরে আমরা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করেছি। আমাদের নিত্যদিনের অনুসঙ্গ স্মার্টফোন থেকে শুরু করে কলকারখানা, যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিটি ক্ষেত্রে আজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একচ্ছত্র আধিপত্য। তাই মানুষের কল্যাণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগোপযোগী ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, এর প্রেক্ষিতে বিশ্ব টেলিযাগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি’ যথার্থ হয়েছে।
আবদুল হামিদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল দেশের সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার রূপকল্প-২০২১ ঘোষণা করেছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও কেন্দ্রীয়পর্যায়সহ সকলক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে। দেশব্যাপী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে জনগণ ঘরে বসেই তাদের মৌলিক নাগরিক সেবাসহ নানাবিধ সেবা পাচ্ছেন।
তিনি বলেন, মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে নতুন মাত্রা সংযোজিত হচ্ছে। প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত উন্নত থেকে উন্নততর হচ্ছে।