হিজড়াদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকে রক্ষা চায় রাজধানী বাসি | |

হিজড়াদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকে রক্ষা চায় রাজধানী বাসি

অফিস, বাড়ি, গাড়ি, দোকানপাট, স্কুল, কলেজ কিংবা পার্ক। রাজধানীর সব জায়গাতেই চলছে হিজড়াদের ব্যাপক চাঁদাবাজি ও সন্ত্রসী কার্যকলাপ।

ইদানীং বাসে বাসে হিজড়া ব্যাপকভাবে চরোয়া হয়ে উঠেছে। রাজধানীর প্রতিটি গণপরিবহনগুলোতে দেখা যায় হিজড়াদের।দেখা যাচ্ছে তারা যাত্রীদের কাজ থেকে টাকা তুলছে। তারা এমনভাবে টাকা তুলছে মনে হয় যেনো এক প্রকার হুমকি দেখিয়ে টাকা নিচ্ছে। কোন যাত্রী টাকা দিতে অস্বীকার করলে হিজড়ারা অশ্লীল কথা বলছে।

এমনকি গাড়ির ভিতরেই তারা তাদের গায়ের কাপড় খুলে ফেলছে এমন ঘটনা ঘটতে দেখা যাচ্ছে। তারা প্রতিটি যাত্রী থেকে ১০ টাকার নিচে নিচ্ছে না টাকা না দেয়ার কথা বললে তারা নানা হুমকি দিয়ে থাকে যাত্রীদের। গাড়ির মধ্যে যাত্রীদের তারা জড়িয়ে ধরছে চুমু দিচ্ছে। টাকা তাদের দিতেই হবে। প্রয়োজনে তারা জোর করে তুলে নিবে। তবুও তাদের টাকা চাই।

এতো শুধু বাসের ভিতরের দৃশ্য। এছাড়া রিকশাযাত্রী, মোটরসাইকেল আরোহী কিংবা সিএনজি ও প্রাইভেটকারেও চলে সমানে চাঁদাবাজি। নিয়মিত চাঁদা না দিলে রাজধানীতে অফিসে বসতে পারেন না অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আর পার্কে তরুণ-তরুণীদের একসঙ্গে পেলে তো হিজড়াদের পোয়াবারো। সেখানে রীতিমতো ছিনতাইকারীর ভূমিকায় লিপ্ত হয় তৃতীয় লিঙ্গের দাবিদার অধিকাংশ ভুয়া হিজড়ার দল। সব ক্ষেত্রেই প্রশাসন নিরব দর্শক।

এমন পরিস্থিতে চরম অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে নগরবাসীকে। অনেকেই হিজড়াদের যন্ত্রণায় তিক্ত-বিরক্ত। কিন্তু প্রতিবাদ করারও সুযোগ নেই। এদের বিরুদ্ধে প্রশাসন যেমন নিরব, অন্যদিকে একশ্রেণির সমকামী গোষ্ঠি বিভিন্ন নামী-বেনামী এনজিওর মাধ্যমে উল্টো এদেরকেই শেল্টার দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র বলছে, রাজধানীতে অন্তত ৬০ হাজার হিজড়া রয়েছে। যাদের অধিকাংশই ভুয়া। প্রকৃত পক্ষে তারা নারী বা পুরুষ। কারও কারও বাড়ি, স্ত্রী সংসার রয়েছে। আবার কেউ কেউ সমকামী বলেই হিজড়া সেজেছে। এটা আয়-রোজগারের জন্য ভালো সুযোগ হওয়াতেই অনেকে লিঙ্গ কেটে হিজড়া সেজে চাঁদাবাজি করে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

এমনও জানা গেছে, হিজড়ারা দিনের বেলায় চাঁদাবাজি করে। আর রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে দেহব্যবসায়ী সেজে দাঁড়িয়ে থাকে। এভাবে চলে তাদের ছিনতাই কার্যক্রম।

রাজধানীর এক বাসযাত্রী বললেন, অামি উত্তরা থেকে অামার পরিবার নিয়ে মগবাজার সাতরাস্তা অাসার জন্য বলাকা পরিবহণে উঠেছি। মহাখালী অাসতে না অাসতেই দুই তিন হিজড়া এসে গাড়িতে হাজির।অামার কাছে টাকা চাইলো অামি ৫ টাকা দিয়ে থাকি তাদের।তারা ৫ টাকাতো নিলোই না অার অশ্লীল অাচারণ করলো যা বলার বাহিরে।পাশেই বসা ছিলো অামার মেয়ে অামি কিযে লজ্জা পেয়েছি।কবে যে এই হিজড়াদের থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি পাবে।

রাস্তায় কর্তব্যরত এক পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞাসার করা হলো, যে হিজড়ারা গণপরিবহনগুলোতে চাঁদাবাজি করছে অাপনরা কিছু বলেন না হিজড়াদের।

তিনি বললেন, উপর মহল থেকে হিজড়াদের কিছু বলার কোন অাদেশ অাসে নাই। যদি অাসে তবে অবশ্যই অামরা ব্যবস্থা নিবো।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৬০ হাজারও বেশি হিজড়া রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় রয়েছে ২০০০ হাজারেরও বেশি।হিজড়াদের মধ্যে যারা নেতৃত্ব দিয়ে বিভিন্ন স্থানে তারা হলো-ফার্মগেট, মগবাজার, গুলশান, মালিবাগের হায়দারও স্বপ্না হিজড়া।উত্তরার নাজমা হিজড়া,সায়েদাবাদ মতিঝিল এলাকার অাবুল হিজড়া।পুরান ঢাকার দিপালী হিজড়া। লালবাগের রিনা হিজড়া।সাভার ধামরাই মনু হিজড়া। ডেমড়া, শ্যামপুর, ফতুল্লার লায়লা হিজড়া এমনকি শ্যামলি, মোঃপুর, মিরপুর এলাকার হামিদা হিজড়া। তারাই রাজধানীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত নেতৃত্ব দিয়ে অাসছে।

তাদের এ সন্ত্রাসীমূলক কার্যক্রম ও চাঁদাবাজি থেকে মুক্তি চাচ্ছেন রাজধানীর সাধারণ মানুষ।

হিজড়ারা কত বড় সন্ত্রাসী নিচের ভিডিওটি দেখলেই বুঝতে পারবেন-