মঙ্গলবার থেকে সিলেট সিটি নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু | |

মঙ্গলবার থেকে সিলেট সিটি নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু

সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ক্ষণ গণনা শুরু হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে (১৩ মার্চ)। এই সময় থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে সিসিক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি)। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়টি নিয় তোড়জোড় শুরু করেছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের সর্বশেষ নির্বাচন ২০১৩ সালের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগ নেতা বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরী। নির্বাচনের পর আরিফের নেতৃত্বাধীন সিসিক পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ৯ সেপ্টেম্বর। সে হিসেবে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর পূর্ণ হবে এ সিটির পাঁচ বছর মেয়াদ।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনে উল্লেখ রয়েছে, পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে থেকে শুরু করে যে কোনো সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সিটি নির্বাচন আয়োজন করতে হয়। এ হিসেবে আগামীকাল ১৩ মার্চ থেকে আগামী ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইসি সিলেট সিটি নির্বাচনের আয়োজন করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আগামী এপ্রিলে শুরু হবে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। শেষ হবে ৪ মে। এরপর ১৭ মে থেকে শুরু হবে রমজান মাস। এসব বিষয় সামনে রেখে আগামী জুনে সিলেট সিটি নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে কাজ করছে ইসি।

সিসিক নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেটে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন। বিশেষ করে মেয়র প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন পেতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট দলগুলোর সূত্রে জানা যায়, আগামী সিসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মেয়র পদে লড়তে চান সাবেক সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ও সিসিক কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ প্রমুখ। দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশী সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিমও।

বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন সিসিকের বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তাঁর সাথে মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম এবং সিসিক কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদীও আছেন দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টায়।

উভয় দলের এই নেতারা দল থেকে মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে ‘আশাবাদী’ বলে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

সিসিক নির্বাচন নিয়ে সংসদের বিরোধীদল জাতীয় পার্টির কোনো নড়াচড়া দৃশ্যমান নেই। তবে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামী মেয়র পদে প্রার্থী দিতে তৎপর বলে জানা গেছে। এছাড়া আরো অন্তত দুটি ধর্মভিত্তিক দল মেয়র পদে তাদের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে।