রোনালদোর রেকর্ড রাতে রিয়ালের জয় | |

রোনালদোর রেকর্ড রাতে রিয়ালের জয়

প্রতিচ্ছবি রিপোর্টঃ  ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড গোলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। বুধবার রাতে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে ৩-২ গোলে পরাজিত করেছে জিনেদিন জিদানের দল।

বোরহা মায়োরাল ও রোনালদোর গোলে শুরুতেই এগিয়ে যায় শিরোপাধারীরা। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে উঠা ম্যাচে দুই গোলই শোধ করেন আউবামেয়াং। আরেকটি হোঁচটের শঙ্কায় থাকায় রিয়ালকে দারুণ এক জয় এনে দেন ভাসকেস।

লা লিগায় নিজেদের শেষ ম্যাচে ড্র করা রিয়াল উন্মুখ ছিল জয়ে ফিরতে। সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে কষ্টের জয়ে সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে স্পেনের সফলতম দলটির।

দ্বিতীয় মিনিটে গোলে প্রথম শট নেন রোনালদো। গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় সেবার বেঁচে যায় বরুসিয়া। অষ্টম মিনিটে আর দলকে রক্ষা করতে পারেননি রোমান বার্কি। ইসকোর কাছ থেকে বল পেয়ে খুব কাছ থেকে জালে পাঠান মায়োরাল।

চার মিনিট পর সমর্থকদের আনন্দের আরো বড় উপলক্ষ এনে দেন রোনালদো। কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন তারকা ফরোয়ার্ড। এই গোলে ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে একই আসরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের ছয় ম্যাচে গোলের রেকর্ড গড়েন তিনি।

৩৬ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন আউবামেয়াং। ডি বক্সে অরক্ষিত স্ট্রাইকার পেয়েছিলেন অনেক সময়। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নিয়ে হতাশ করেন দলকে।

একের পর এক সুযোগ নষ্ট করা আউবামেয়াং ৪৩ মিনিটে মার্সেলের ক্রসে দারুণ হেডে ব্যবধান কমান। সঙ্গে লেগে থাকা সের্হিও রামোসকে ফাঁকি দিয়ে ঝাঁপানো হেডে দলকে ম্যাচে ফেরান তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বের্নাবেউকে স্তব্ধ করে দেন আউবামেয়াং। অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে বল জালে পাঠান তিনি। প্রথমবার কোনোমতে ফিরিয়েছিলেন নাভাস, দ্বিতীয়বার পারেননি। আউবামেয়াংয়ের চিপ তার মাথার ওপর দিয়ে ঠিকানায় পৌঁছায়।

চার মিনিট পর আবার এগিয়ে দিতে পারতেন রোনালদো। এবার একটুর জন্য লক্ষ্যে থাকেনি তার কোনাকুনি শট। একের পর এক আক্রমণে অতিথিদের কঠিন পরীক্ষায় ফেলে ৮১ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় রিয়াল। থিও এর্নান্দেসের হেডে বল পেয়ে জালে পাঠান ভাসকেস।

৮৮ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন কাগওয়া। বিপজ্জনক জায়গা থেকে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন এই ফরোয়ার্ড।

‘এইচ’ গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে শেষ ষোলোয় ওঠা রিয়ালের পয়েন্ট ১৩।